Friday 9th of December 2016

সদ্য প্রাপ্তঃ

***বিপিএল টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট চতুর্থ আসরের ফাইনালে আজ শুক্রবার মুখোমুখি হবে ঢাকা ডায়নামাইটস ও রাজশাহী কিংস***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

UCB Debit Credit Card

বিডিনিউজডেস্ক.কম
তারিখঃ ২৬.০৩.২০১৫

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, থাইল্যান্ডের তৈরি পণ্য বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। আমদানি বেশি হবার কারণে থাইল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের ঘাটতি বাণিজ্য বেড়েই চলছে। তাই থাইল্যান্ডের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে দ্রুত বাংলাদেশের ডিউটি ফ্রি সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন।

বুধবার ঢাকায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ঢাকাস্থ রয়েল থাই দূতাবাস এবং থাইল্যান্ডের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অফ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড প্রোমোশন আয়োজিত চারদিন ব্যাপী “থাইল্যান্ড উইক ২০১৫” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২১ সালে বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি বা দুর্যোগ কবলিত দেশ নয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এখন অনেক শক্তিশালী দেশ। জিডিপি গ্রোথ, রপ্তানি, বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ, কারেন্ট এ্যাকাউন্ট অফ ব্যালেন্স, মাথাপিছু আয়, কর্মসংস্থানসহ সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ এখন পাকিস্তান থেকে এগিয়ে। সোস্যাল সেক্টরে বাংলাদেশ ভারতের চেয়েও এগিয়ে আছে।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে রপ্তানি করেছে ৯৪.৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে তা কমে এসেছে ৩৯.৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। একই সময়ে থাইল্যান্ড থেকে আমদানি হয়েছে ৬৮৯.৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
মন্ত্রী বলেন, থাইল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে। উভয় দেশ ডব্লিউটিও-এর সদস্য। থাইল্যান্ডের সাথে বে-অফ বেঙ্গল ইনেশিয়েটিভস ফর মাল্টি সেকটরাল টেকনিক্যাল এন্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমস্টেক) ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট রয়েছে। থাইল্যান্ডের বাজারে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক, পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, ওষুধ, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, নিটওয়্যার এবং বিশেষ টেক্সটাইল সামগ্রী ডিউটি ফ্রি প্রবেশ সুযোগ প্রদান করা হলে দু’দেশের বাণিজ্য ব্যবধান অনেক কমে আসবে।
উল্লেখ্য আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত মেলা চলবে। ২৫-২৬ মার্চ ব্যবসায়ীদের জন্য এবং ২৭-২৮ মার্চ মেলা সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলায় ৫১ টি থাইল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে থাইল্যান্ডের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিপার্টমেন্ট অফ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড প্রোমশন-এর ডিরেকটর জেনারেল নানটাওয়ান সাকুনটানাগা এবং ঢাকায় নিযুক্ত রয়েল থাই এ্যাম্বাসেডর মাডুরাপোচানা ইটারোং উপস্থিত ছিলেন।