আজ শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ময়মনসিংহে সুটকেসের ভেতর যুবকের লাশ * ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা স্থগিত * দিনাজপুরে বজ্রপাতে নিহত ৬ * দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে 'সুপার ম্যালেরিয়া' * রিয়ালের পথের ইতি টানতে চান বেনজেমা * মধ্যবাড্ডায় অগ্নিকাণ্ডে মায়ের মৃত্যু, ২ সন্তান দগ্ধ * পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই: বাড়ছে ক্ষোভ, ঝিমিয়ে পড়া

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৮.০৯.২০১৭

রাজধানীতে এখনো বিরাজ করছে কোরবানি ঈদের ছুটির আমেজ।

এই ছুটির কারণে ‘সরবরাহ কম’ যুক্তি দেখিয়ে রাজধানীর বাজারগুলোয় বেড়েছে সবজির দাম। গত দুই মাসে বন্যা ও বৃষ্টির প্রভাবে রাজধানীর সবজির বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী, সেই চড়া দামেই স্থিতিশীল রয়েছে বাজার দর।

বাজারে শশা ৪০, ধনে পাতা ২০০, মিষ্টি কুমড়া ৪০, মরিচ ১৬০, ঢেড়শ ৫০ থেকে ৬০, গোল বেগুন ৬০ থেকে ৭০, লম্বা বেগুন ৮০ থেকে ৯০, সিম ১৩০ থেকে ১৪০, চিচিঙ্গা ৪০, আলু ২৫ থেকে ৩০, পেঁয়াজ ৫০, পটল ৬০ থেকে ৭০, বরবটি ৩০, কাকরোল ৬০, লাউ প্রতি পিস ৬০ থেকে ৮০, পেপে ৪০, করল্লা ৬০, টমেটো ১৪০, ধুন্দোল ৪০ এবং মূলা ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাল শাক ১৫, পুইশাক ২৫, পাটশাক ১০, ডাটা শাক ১০, কলমি শাক ১০, কচুশাক ৫ ও শাপলা প্রতি আটি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ ঈদকে কেন্দ্র করে কাঁচাবাজারে পণ্যের দাম বাড়লেও পাইকারি আড়তদারদের জন্য এখনও দাম কমছে না। অন্যদিকে পাইকারি সবজি বিক্রেতারা বলেছেন, ঈদ পরবর্তী যানজটের কারণে রাস্তাতেই বেশিরভাগ সবজি নষ্ট হয়ে গেছে তাই দাম একটু বেশি।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, মুগদা, মালিবাগ, কারওয়ান বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা সুরুজ মিয়া বলেন, গত কয়েকদিন ধইরা সবজির বাজারে কাস্টমারের চাপ বাড়তাছে। কিন্তু দামডা একটু বেশি। পাইকারি বাজারেই দাম বেশি আমরা কি করুম।

দাম বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাইকাররা কইতাছে রাস্তায় অনেক জাম। অনেক মাল নষ্ট হইয়া গেছে। তাই দাম কমতাছে না। এদিকে মাছের বাজারে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। যাত্রবাড়ী বাজারের মাছ বিক্রেতা নুর আলম বলেন, গোস খাইতে খাইতে মানুষ বিরক্ত হইয়া গেছে। তাই ঈদের কয়দিন পর থেইক্যাই মাছের বাজারে মাইনসের ভিড়। তয় চাহিদা অনুযায়ী মাছ কম। তাই দামও বেশি।

বাজারে শিং মাছ ৫০০, বড় ইলিশ ৮০০ থেকে ১০০০, ছোট ইলিশ ৪০০ থেকে ৬০০, পাবদা ৬৫০, বড় রুই ৪০০, ছোট রুই ২৮০, কোরাল ৭০০, কাতল ৩০০ থেকে ৩৫০, গুড়া মাছ ৩০০।

মাংসের বাজারও ছিলো চড়া। গরুর মাংস ৫৫০ ও মুরগি ১৫০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হতে দেখা গেছে। মুগদা বাজারে গরুর মাংস কিনছিলেন শামীম হোসেন। কথা হলো তার সাথে। তিনি বলেন, ঈদের আগে যেই দাম দেখেছিলাম। এখনওতো সেটাই দেখছি। দাম বেশি কেন জানতে চাইলে একেকজন একেক কথা বলছে। জানি না এভাবে কতদিন চলবে।

মুগদা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গরুর চালান নাই। গাবতলী হাটে দাম বেশি। আমরা বেশি দামে কিনছি তাই একটু বেশি দামে বিক্রি করতাছি।

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী জাকারিয়া বলেন, ঈদের কারণে পণ্যের চালান আসেনি। তাছাড়া ঈদ পরবর্তী যানজটের কারণে অনেক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। তাই দামটা একটু বেশি। আগামী দুই-তিনদিনের মধ্যে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে, তখন পণ্যের দাম স্বাভাবিক হবে।