আজ শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ময়মনসিংহে সুটকেসের ভেতর যুবকের লাশ * ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা স্থগিত * দিনাজপুরে বজ্রপাতে নিহত ৬ * দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে 'সুপার ম্যালেরিয়া' * রিয়ালের পথের ইতি টানতে চান বেনজেমা * মধ্যবাড্ডায় অগ্নিকাণ্ডে মায়ের মৃত্যু, ২ সন্তান দগ্ধ * পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই: বাড়ছে ক্ষোভ, ঝিমিয়ে পড়া

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৪.১১.২০১৭

কোনো রকমের আগাম ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশি নাগরিকেরা কমপক্ষে ৫ হাজার ডলার সঙ্গে রাখতে পারবেন।

পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে বিদেশ যাওয়ার সময় সঙ্গে এই পরিমাণ অর্থ বহন করতে পারবেন। সোমবার এমন প্রজ্ঞাপনই জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন করা সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর কাছে প্রজ্ঞাপনটি পাঠানো হয়েছে।

সংশোধিত এফএমজে (ফরেন মানি অ্যান্ড জুয়েলারি) ফরমে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনও ঘোষণা ছাড়াই অনধিক পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার বাংলাদেশি নাগরিকরা সঙ্গে রাখতে পারবেন এবং বাংলাদেশ হতে বিদেশ যাওয়ার সময় সঙ্গে বহন করতে পারবেন।

এতে বলা হয়, এই পরিমাণের বেশি যেকোন অংক নিবাসী বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে আগমনের ৩০ দিনের মধ্যে টাকায় ভাঙাতে হবে। অথবা প্রযোজ্য ধরনের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে জমা করতে হবে।

সংশোধিত এফএমজে ফরমে বলা আছে, অনিবাসী বাংলাদেশীর আনা এ ধরনের অঙ্ক বাংলাদেশে ফেরত আসার পর যে কোন সময় টাকায় ভাঙ্গাতে পারবেন অথবা বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে জমা করতে পারবেন। এফএমজে ফরমে আরও বলা হয়েছে, শুল্ক কর্তৃপক্ষের কাছে এফএমজে ফরমে ঘোষণা দিয়ে যে কোন পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশে আসার সময় সঙ্গে আনা যাবে।

তবে সঙ্গে করে আনা বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ অনধিক পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার বা সমতুল্য হলে শুল্ক কর্তৃপক্ষের কাছে ঘোষণা প্রদান আবশ্যক হবে না। বিদেশীদের ক্ষেত্রেও ঘোষণা দিয়ে আনা সমুদয় বৈদেশিক মুদ্রা এবং ঘোষণা ছাড়া আনা অনধিক পাঁচ হাজার ডলার বাংলাদেশ ত্যাগকালে অবাধে প্রত্যাবসানযোগ্য হবে।

এর আগে গত ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাংলাদেশী কারেন্সি বিদেশে নেয়া যাবে। একই ভাবে বিদেশ হতে বাংলাদেশে আসার সময় যে কেউ বাংলাদেশী কারেন্সি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বহন করতে পারবেন।

অবশ্য বাংলাদেশী মুদ্রার বাইরে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ভ্রমণ, চিকিৎসা, শিক্ষাগ্রহণসহ সব ধরনের বিদেশ ভ্রমণে একবারে সর্বোচ্চ নগদ পাঁচ হাজার ইউএস ডলার নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, এক ব্যক্তি বিদেশ ভ্রমণের উদ্দেশে বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ইউএস ডলার পর্যন্ত ব্যাংক থেকে তুলতে (এনডোর্স) পারবেন। এর মধ্যে সার্কভুক্ত দেশগুলোতে পাঁচ হাজার ডলার এবং সার্কের বাইরের দেশগুলোতে ভ্রমণের জন্য সাত হাজার ডলার পর্যন্ত তুলতে পারবেন।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশী নাগরিকদের অনুকূলে তাদের নিজ নিজ ব্যক্তিগত ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক ভ্রমণ কোটা বা বিদেশে চিকিৎসাগ্রহণ বা উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশ গমন বা অন্যান্য বিশেষ বা সাধারণ অনুমোদন মোতাবেক ছাড়যোগ্য বিদেশী মুদ্রা থেকে প্রতিবার ভ্রমণে যাত্রীপিছু অনধিক পাঁচ হাজার ইউএস ডলার নগদ নোট আকারে ইস্যু করা যাবে। সেক্ষেত্রে বিদেশী মুদ্রা লেনদেন নীতিমালা ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নির্দেশনা পরিপালন করার কথা বলা হয়েছে ব্যাংকগুলোকে।

ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বহির্গামী বাংলাদেশী বা বিদেশী নাগরিকদের অনুকূলে বাংলাদেশে তাদের নিজ নিজ মুদ্রা হিসাবের (প্রাইভেট ফরেন কারেন্সি এ্যাকাউন্ট, রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট এ্যাকাউন্ট, রফতানিকারকের রিটেনশন কোট এ্যাকাউন্ট প্রভৃতি) অথবা রূপান্তরিত টাকা হিসাবের স্থিতি থেকে (অথবা সমমূল্য পরিমাণের বিদেশি মুদ্রার বিপরীতে ব্যাক টু ব্যাক ভিত্তিতে) যাত্রীপিছু নগদ পাঁচ হাজার ইউএস ডলার ছাড় করা যাবে।