মুদ্রণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  | তারিখঃ  ১৮.০৮.২০১৫

সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এক সন্দেভাজনের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে ফুটেজে দেখা যায়, খুব সতর্কভাবে মন্দিরে ব্যাক প্যাক রেখে দেন হলুদ টি শার্ট পরা এক ব্যক্তি।

এরপর ব্যাকপ্যাকটি সঙ্গে না নিয়েই বেরিয়ে পড়েন তিনি। আর এর পরপরই হয় বিস্ফোরণ। এখনও ওই সন্দেভাজনের পরিচয় জানতে পারেনি পুলিশ। এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার আবারও বিস্ফোরণ হয়েছে ব্যাঙ্ককে। গ্রেনেডজাতীয় ওই বিস্ফোরকটি সেতু থেকে পানিতে ছুঁড়ে ফেলায় কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এ ঘটনার পর আবার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যাঙ্কক জুড়ে সতর্কতা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।রাজধানীর চিদলুম জেলার এরাওয়ান মন্দিরের কাছে থাইল্যান্ডের স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হামলাটি হয়। শুরুতে প্রাণহানির সংখ্যা ১২ বলে জানানো হলেও পরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২১ জনে। ঘটনাস্থলে থাকা নিজস্ব প্রতিনিধির বরাতে বিবিসি জানায়,হামলার পর বিভিন্ন স্থানে মানুষের ছিন্ন-ভিন্ন দেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। মোটর সাইকেলে করে বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি কেউ।বিবিসির প্রতিনিধি জানায় মন্দিরের আশপাশের মানুষ পুরোদমে বোমা হামলাটির শিকার হয়। মন্দিরটি হিন্দু সম্প্রদায়ের হলেও সেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার বৌদ্ধও ভীড় করে থাকেন। মন্দিরের আশপাশে তিনটি বড় শপিং সেন্টারও রয়েছে।থাইল্যান্ডে বোমা হামলা খুবই বিরল ঘটনা। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, থাইল্যান্ডে মাঝে মাঝে মুসলিম বিদ্রোহ হয়ে থাকলেও তা সাধারণত দেশের দক্ষিণাঞ্চলে হয়ে থাকে। তবে অন্য এলাকায় সাধারণত হামলার ঘটনা হয় না। তবে এক দশক ধরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সহিংসতা হচ্ছে। বেশ কয়েক মাসের সহিংসতার পর গেল বছরের মে মাসে দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থান হয়। এখনও সেনাবাহিনীই ক্ষমতা পরিচালনা করছে।