মুদ্রণ

হঠাৎ করেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে: সেতুমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ  ১৯.০৮.২০১৫

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সাংবাদিকরা আমাকে প্রশ্ন করেছেন, হঠাৎ করেই দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে আমি তাদের বলছি হঠাৎ করেই পরিস্থিতি উন্নতি হবে।

আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজনে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলারকারীদের বিচারের দাবিতে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, যারা অবুঝ শিশু ও অবলা নারী হত্যা করে তারা কেউ পার পেতে পারে না। অপরাধ করে, খুন করে, চাঁদাবাজি করে, হয়রানি করে পার পেয়ে যাবার উপায় নেই। অপরাধী যেই হোক বিচারের আওতায় তাকে আসতে হবে। শাস্তি তাকে পেতেই হবে। মন্ত্রী হুঁশিয়ার করে বলেন, পরিস্কার করে বলতে চাই, অপরাধী সরকারী দলের কিংবা সরকারী দলের বাইরের হোন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওবায়দুল কাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিশু-নারী হত্যার বিরুদ্ধে আজ সবাই প্রতিবাদ করে। আমরাও করছি। কিন্তু যেদিন অন্তঃসত্ত্বা আরজু মনিকে হত্যা করা হয়েছিল, শিশু রাসেল, সুকান্ত বাবুকে হত্যা করা হয়েছিল, আজকে যারা হতাশ হন, প্রতিবাদ করেন সেদিন তাদের কাউকে একটু প্রতিবাদ করতেও দেখা যায়নি। ২১ আগস্টকে ১৫ আগস্টের মত একটি রক্তাক্ত ট্র্যাজেডি আখ্যায়িত করে আওয়ামীলীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, ২১ আগস্ট শেখ হাসিনা নিহত হলে ১৫ আগস্টের মতো একইরকম হতে পারতো। তবে সেদিনও আইভি রহমানসহ ২২জন নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন। কাদের বলেন, শেখ হাসিনা সেদিন মারা গেলে সমুদ্র বিজয়, সীমান্ত বিজয়ের নেতৃত্ব দিত কে? সেদিন তার মৃত্যু হলে আজকের এই অর্জন আমাদের হতো না। আমি নিজেও সেদিন আহত হয়েছিলাম। এখন অমাবস্যা-পূণিমায় পায়ের স্প্লিন্টারগুলো যন্ত্রণা দেয়। ১৫ আগস্টের হত্যার বিচার হয়েছে ২১ আগস্টের রক্তাক্ত ট্র্যাজেডির বিচারও এদেশের মাটিতে হবে মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, হত্যাকারীরা দেশে-বিদেশে যেখানে থাকুক, কেউ রেহাই পাবে না। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।