Monday 24th of April 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত * রাজধানীতে কালবৈশাখীর ছোবল * আজ পবিত্র শবে মেরাজ * ৪ বছর পরও রানা প্লাজায় আর্তনাদ * রাজধানীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা * ঢাবিতে ফের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ * যুবদল-ছাত্রদলের কমিটি গঠনের নির্দেশ খালেদার **

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

এক কোটি টাকা পর্যন্ত কর অব্যাহতির প্রস্তাব

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ২১.০৪.২০১৬

ব্যাংক ঋণ ছাড়া ব্যক্তিগত বিনিয়োগে বাড়ি নির্মাণ করলে ওই অর্থকে করের আওতার বাইরে রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

এছাড়া বাড়ি ভাড়া নির্ধারণে হোল্ডিং ট্যাক্সের জন্য সিটি কর্পোরেশনের মূল্যায়নকে বিবেচনায় নেয়ার দাবি সংগঠনটির। এ প্রস্তাবের পক্ষে এফবিসিসিআই থেকে বলা হয়েছে, ঋণ ছাড়া ব্যক্তিগত সঞ্চয়ে বাড়ি নির্মাণ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রীর মোহরানার স্বর্ণ অলংকার বিক্রি করে বাড়ি নির্মাণে বিনিয়োগ করা হয়।ব্যক্তিগত সঞ্চয় থেকে বিনিয়োগ করা এই অর্থের উৎসের ব্যাখ্যার জন্য করদাতারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ফলে করদাতারা ই-টিআইএন নেয়া এবং রিটার্ন দাখিলে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। করদাতাদের হয়রানি বন্ধে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যক্তিগত সঞ্চয় বাড়িতে বিনিয়োগের জন্য কর অব্যাহতির প্রস্তাব করা যাচ্ছে। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাড়ির মালিক ও ফ্ল্যাট মালিকরা ই-টিআইএন সংগ্রহ এবং রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত হবেন।বর্তমানে আয়কর আইন অনুযায়ী, বাড়ি নির্মাণের অর্থ আয়কর রিটার্নে প্রদর্শন না থাকলে তার ওপর নতুন করে ট্যাক্স দিতে হয়। আর হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের সময় সিটি কর্পোরেশন বাড়ি বা ফ্ল্যাটের ভাড়া মূল্যায়ন করে। ওই মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় করা হয়।এছাড়া বাড়ি ভাড়া নির্ধারণে বর্তমানে করদাতারা হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছেন বলে এফবিসিসিআইয়ের প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই জটিলতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্সের মূল্যায়নকে ভিত্তি ধরে করারোপের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। অ্যাপার্টমেন্টের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ ছাড়া ভাড়া নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। জানতে চাইলে হাউস অ্যান্ড ফ্ল্যাট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, ঢাকায় হোল্ডিংধারী ফ্ল্যাট ও বাসার মালিকদের ৩ ভাগের একভাগও কর দেয় না। হয় পালিয়ে বেড়ায়, না হয় অন্যভাবে ম্যানেজ করে। এদের কাছ থেকে ট্যাক্স আদায় করা গেলে বছরে ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে।