Thursday 19th of January 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***সচেতনতা বাড়াতে সড়ক পরিষ্কার কর্মসূচি ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

ফিলিপিন্সের টালবাহানায় ক্ষোভ অর্থ প্রতিমন্ত্রীর

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ২৫.০৪.২০১৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির অর্থ ফেরত দিতে ফিলিপিন্সের ‘বিভিন্ন রকম বক্তব্যে’ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয়ে সম্পাদকদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি বলেছেন, ওই যে টাকা, একবার বলে কালকে দিয়ে দিবে, আবার বলে সময় লাগবে। এটা নিয়ে আমার মনে প্রথম দিকে সন্দেহ ছিল। এখনও আমি মনে করি, দে আর প্লেয়িং। অবশ্য মান্নানের ভাষায় এটা ইচ্ছাকৃত নয়, ফিলিপিন্সের সিস্টেমই এরকম। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ফিলিপিন্সের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। ফেব্র“য়ারির শুরুতে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে ফিলিপিন্সি সরিয়ে নেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের উদ্ধারযোগ্য একটি বড় অংশ ৩০ জুনের মধ্যে ফেরত দেওয়ার আশার কথা শুনিয়েছে ফিলিপিন্সের সিনেট কমিটি। অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া শুরুর অংশ হিসেবে মামলাও হয়েছে দেশটির আদালতে।ফিলিপিন্সের সিনেট কমিটির তদন্ত অনেক এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশ এক্ষেত্রে কী করছে এই প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তার ধারণা, বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কিছু অফিসার নিউ ইয়র্ক, কলম্বো, ম্যানিলায় ঘোরাফেরা করছেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন।
ফিলিপিন্সের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কার একটি এনজিওর নামেও বাংলাদেশের রিজার্ভের ২০ মিলিয়ন ডলার সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে বানান ভুলের কারণে সন্দেহ হওয়ায় শেষ মুহূর্তে ওই টাকা আর সেই অ্যাকাউন্টে জমা হয়নি।বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মান্নান বলেন, উই ওয়ান্ট দেম টু অপারেট ফ্রিলি অ্যান্ড ফেয়ারলি। এটাও স্বীকার করতে হবে, কয়েক মাস আগ পর্যন্ত তাদের সৃজনশীলতা সম্পর্কে, তাদের অভিনবত্ব সম্পর্কে আপনারাও ভুরি ভুরি প্রশংসা করেছেন।অর্থ খোয়া যাওয়ার বিষয়টি প্রায় এক মাস গোপন রাখায় সমালোচনার মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য হন আতিউর রহমান। গভর্নরের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সচিব পর্যায়েও সে সময় রদবদল আনে সরকার।
মান্নান বলেন, এখন একটা ঘটনা যখন ঘটে গেছে, নট দ্যাট উই আর অবলিভিয়াস। আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। ফিলিপিন্সের মতো অতটা নয়।  আমার নিজের কিছু মতামত আছে। আমি এখন তা বলব না। ফিলিপিন্স ইজ ভেরি ওয়ান্ডারফুল রাষ্ট্র। তারা নিজেদের কাজ করছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুরো বিষয়টি এখন কে দেখছেন- এ প্রশ্ন জানতে চাওয়া হয়েছিল প্রতিমন্ত্রীর কাছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, উই আর ইন ডিলেমা। ইট ইজ আ ইনস্টিটিউশন বাই ইটসেলফ, এর একটা নিজস্ব ব্যক্তিত্ব আছে। থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি।গণতন্ত্রের প্রয়োজনে, অর্থনীতির শৃঙ্খলার প্রয়োজনে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে তাই আছে। আমরা চাই আমাদের এই সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউশনটা সেইভাবে গড়ে উঠুক। এসব কারণে সরকার বা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তরা সচেতনভাবেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিজেদের একটু দুরে রাখুন বলে দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী।