Print

সরকারের তদারকির ওপর নির্ভর করবে জ্বালানী তেলের মূল্য হ্রাসের সুফল

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ২৬.০৪.২০১৬

জ্বালানী তেলের দাম কমার কারণে জিডিপি’তে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দেবে।

একদিকে বেসরকারি খাতে যেমন বিনিয়োগ বাড়বে অন্যদিকে কমতে পারে দ্রব্যমূল্য। গবেষণামূলক তথ্য অনুযায়ী এসব অনুমান করছে সিডিপি। সিডিপির মতে, তেলের দাম কমার ফলে সাধারণ মানুষ এর সুফল কতটা পাবে তা নির্ভর করবে সরকারির তদারকির ওপর।
সিপিডি তাদের গবেষণা বলছে, প্রায় ১০ শতাংশ জ্বলানী তেলের দাম কমায় জিডিপির ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে প্রায় শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। নিশ্চিতভাবে বাড়বে বেসরকারি বিনিয়োগ। মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ২ পয়েন্ট নেমে গিয়ে দ্রব্যমূল্য কমে আসবে। ক্রয় ক্ষমতা বাড়ার কারণে মানুষের ভোগ বাড়বে প্রায় শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ।
সিপিডি নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এই সমন্বয়ের ফলে সব দিক থেকেই ভোক্তা, উৎপাদক, রাপ্তানিকারকসহ সবাই উপকৃত হবেন। এটার ফলে মানুষের ক্রয় ক্ষমতাও বাড়বে।’
বলা যায়, মানুষের এবং দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ থাকার জন্য জ্বালানী তেলের মূল্য হ্রাস একটি সুবর্ণ সুযোগ। তবে সেই সুযোগ হাতের কাছে পেয়ে কাজে নাও লাগতে পারে, যদি অর্থনীতির অন্যান্য উপকরণগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় না থাকে এবং এ ব্যাপারে সরকারের সঠিক তদারকি না থাকে।
অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ‘প্রথমত, জ্বালানী তেলের মূল্য হ্রাসের ফলে যারা সরাসরি উপকৃত হওয়ার কথা, তারা সে সুযোগ আদৌ পাচ্ছে কিনা সে বিষয়গুলো দেখার জন্য তদারকির প্রয়োজন আছে। দ্বিতীয়ত, মূল্য হ্রাসের সাথে সাথে অন্যান্য অর্থনৈতিক যেসব কর্মকান্ড আছে সেগুলো যাতে ভালোভাবে চলে সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা গেলেই জিডিপির ওপরে ইতিবাচক প্রভাব পড়েবে।’
নতুন দাম অনুযায়ী অকটেন ও পেট্রোলের দাম ১০ টাকা হারে কমানো হয়েছে এবং ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমানো হয়েছে লিটারে ৩ টাকা করে। যার সুফল নির্ভর করছে সরকারের সুষ্ঠু তদারকির ওপর।