Print

মুন্সীগঞ্জে নির্মিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার

বিডিনিউজডেস্ক.কম | তারিখঃ ০৪.০৯.২০১৫

ঢাকার অদূরে মুন্সীগঞ্জে হচ্ছে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার। যেখানে ২০১৭ সালের মে-জুন মাসে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আর এই কনভেনশন সেন্টার নির্মাণের জন্য উদ্যোক্তা হিসেবে একজন বাংলাদেশী ও আমেরিকান নাগরিককে খুঁজে পেয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ক্যালিফোর্নিয়ার কেপিসি ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গেছে ।
অর্থমন্ত্রী উদ্যোক্তা সম্পর্কে বলতে গিয়ে উল্লেখ করেন, ড. কালি পি চৌধুরী মূলত এই দেশের সন্তান। বাংলাদেশ থেকে ডাক্তারি পাস করে আমেরিকায় পাড়ি দেন। তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নির্মাণের বিষয়টি চিঠিতে উল্লেখ করে বলেন, গত ৪-৫ বছর ধরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। তবে বর্তমানে কনভেনশন সেন্টার প্রকল্পটি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তার একটি টেকনিক্যাল দল খুব শিগগির বাংলাদেশে আসছে।এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও, কে পি সি গ্রুপ বাংলাদেশে আসার পরই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। এর আগে অর্থাৎ ২০১৪ সালের ২০ জুলাই অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এ বিষয়ের প্রেক্ষাপট তুলে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা ও গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার নানা ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ অত্যন্ত আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে যে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রটি রয়েছে তাতে ১ হাজার ৭শ জনের বেশি ডেলিগেট অংশগ্রহণ করতে পারে না। বৈঠকে গৃহায়ন ও পূর্ত মন্ত্রী বলেন, বিগত ন্যাম সম্মেলনের সময় প্রধানমন্ত্রী এই ধরনের একটি কনভেনশন সেন্টার নির্মাণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। ঢাকার শান্তিনগর থেকে ঝিলমিল পর্যন্ত একটি উড়াল সেতু নির্মাণ করা হবে। বৈঠকে একটি উপযুক্ত স্থানসহ আরো অন্যান্য বিষয় নির্ধারণের জন্য পূর্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
জানা গেছে, এই সেন্টারটি হবে বুড়িগঙ্গার অপর পাড়ে ঢাকা-মাওয়া অথবা ঢাকা-দোহার রাস্তায়। এর জন্য প্রয়োজন হবে ৫০ বিঘা জমি। সেন্টার তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেন্টারে থাকবে ৫ হাজার আসনের ১টি গ্যালারি, ৫০০ আসনের ২টি গ্যালারি, ২০০ আসনের ১০টি সেমিনার কক্ষ, প্রায় ১০০টি বিভিন্ন ধরনের দফতর। এই দফতরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীদের জন্য ১০ থেকে ১৫টি দফতর থাকবে। এ ছাড়াও ৫০০টি গাড়ি পার্কিং করার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি কাছাকাছি ২টি হোটেল.শপিংপ্লাজা থাকবে।