আজ বুধবার, ২৬ জুলাই, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাতসহ পাঁচজনের বিচার শুরু * ভিয়েতনাম থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন চালের প্রথম চালান নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ * লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে সংঘর্ষে চালক নিহত * তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা * সীতাকুণ্ডে নয় শিশুর মৃত্যু ও ৪৬ জনের অসুস্থতার কারণ এখনও শনাক্ত করা যায়নি * চিকিৎসকরা বলছেন, ত্রিপুরা পাড়ার অসুস্থ শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে * ৫৬ ইউনিয়ন পরিষদ এবং একটি করে পৌরসভা ও জেলা পরিষদের কয়েকটি ওয়ার্ডে ভোট চলছে * চট্টগ্রামে ইয়াবা ও চোলাই মদসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর * দুর্নীতির দায়ে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলার সাড়ে নয় বছরের কারাদণ্ড

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

রোজার আগেই মাংস ও ডালের মূল্যবৃদ্ধি

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ৩০.০৪.২০১৬

প্রতিবার রোজার সময় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা দেখা যায়।

কিন্তু এবার রোজার বেশ আগেই গরুর মাংস ও ডালের দাম বেড়েছে। বাজার এভাবে নিয়ন্ত্রণহীন থাকলে রমজানে গরু মাংসের দাম আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন মাংস ব্যবসায়ীরা। খুচরা বাজারে আমদানি করা বড় দানার মসুর ডাল ১০৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০-১১৫ টাকা। দেশি মসুর ডাল প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৫৫ টাকা, গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৫০ টাকায়। আমদানি করা নেপালি ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৪৫-১৫০ টাকায়, গত সপ্তাহে এর দাম ছিল ১৪০ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি ডালে দাম বেড়েছে ৫-১০ টাকা। আর প্রতিকেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়। বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেছেন, 'রমজান মাসে সিটি করপোরেশন থেকে মাংসের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হয়। কিন্তু গত রমজানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বি এম এনামুল হকের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়নি। এরপর থেকে মাংসের বাজারে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। যে যার ইচ্ছেমতো মাংসের দাম নির্ধারণ করছে।' তিনি বলেন, 'এ অনিয়ন্ত্রিত অবস্থা চলতে থাকলে রমজানে মাংসের প্রতিকেজি দাম ৫০০ টাকা হবে।' মাংসের দাম বাড়ার কারণ সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, 'আগে ভারত থেকে গরু আনার সময় সীমান্তে ১ থেকে ২ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হতো। এখন তার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫-৬ হাজার টাকা।' সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পূর্বের বছরগুলোতে রমজানের বেশ আগে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ালেও এখন তা না করে মন্ত্রণালয়ের বৈঠক হওয়ার আগেই দাম বাড়িয়ে দেয়। অজুহাত হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলেন, 'পণ্যের দাম রমজান উপলক্ষে বাড়েনি। এগুলোর দাম অনেক আগেই বেড়েছে।'