Print

সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে নওগাঁয় আবিষ্কৃত চুনাপাথরের খনি

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০২.০৫.২০১৬

সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে নওগাঁর তাজপুরে আবিষ্কৃত চুনাপাথরের খনি।

কিন্তু দেশের সর্ববৃহৎ এই খনির পাথর উত্তোলনের বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাই চললেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
নতুন কর্মস্থানের সম্ভাবনা থাকলেও জমি অধিগ্রহণে ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কা অনেকের। তবে, জমি অধিগ্রহণে নিয়ম অনুযায়ী অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, চুনাপাথর উত্তোলন বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হবে কিনা তা নিশ্চিত হতে দু’বছর সময় লাগবে। ২০১১ সালে, নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার তাজপুরে চুনাপাথর খনি চিহ্নিত করে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর।  প্রক্রিয়াগত কার্যক্রম শেষ করার পর চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি খনন কাজ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।

একমাস পর, ভূ-গর্ভস্থ ২২শ’ ১৪ ফুট থেকে ২৩শ’ ১৪ ফুট গভীর পর্যন্ত চুনাপাথরের সন্ধান মেলে।  প্রায় ৫২ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে থাকা এই পাথরের মজুদ, দেশের সর্ববৃহৎ বলে ধারণা করছেন ভূ-তাত্ত্বিকরা। এখন চুনাপাথর উত্তোলন বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হবে কিনা তা’র যাচাই-বাছাই চলছে।

এতে স্থানীয়রা চুনাপাথরের খনিতে নতুন কর্মস্থানের স্বপ্ন দেখছেন। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া ও মূল্য পরিশোধে কাঙ্ক্ষিত টাকা পাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে চিন্তিত বেশিরভাগ মানুষ। তবে অধিগ্রহণের নিয়ম অনুসারে জমির মালিকদের ন্যায্য মূল্য পরিশোধ করা হবে বলে আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আমিনুর রহমান। ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলন করা গেলে এ খনি থেকে দেশের ৩০টির বেশি সিমেন্ট কারখানার ক্লিংকারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অর্জন হতে পারে বৈদেশিক মুদ্রাও।