Monday 27th of February 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***পাইপে পড়ে শিশু জিহাদ নিহত হওয়ার মামলায় চারজনের ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে মাউশির চিঠি

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৫.০৫.২০১৬

কোচিং বাণিজ্য বন্ধের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) গতকাল বুধবার এক চিঠির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশ দিয়েছে।

২০১২ সালের জুনে জারি করা এই নীতিমালায় বলা হয়েছিল, সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার কোনো শিক্ষক তার নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবেন না। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিয়ে একদিনে অন্য প্রতিষ্ঠানের সীমিত সংখ্যক (১০ জনের বেশি নয়) শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন। মাউশির সহকারী পরিচালক সাখায়েত হোসেন বিশ্বাস বলেন, নীতিমালাটি বেশ আগের করা। তাই নীতিমালাটি বাস্তবায়ন করতে সবাইকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম চলাকালে কোনো শিক্ষক কোচিং করাতে পারবেন না । তবে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে শুধু অভিভাবকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি বিষয়ের জন্য সরকার নির্ধারিত টাকা রসিদের মাধ্যমে নেওয়া যাবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলতে সরকারি-বেসরকারি স্কুল (নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক), কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর), মাদ্রাসা (দাখিল, আলিম, ফাজিল, কামিল) ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তার এমপিও স্থগিত থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা যাবে। এমপিওর বাইরের কোনো শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন-ভাতা স্থগিতের পাশাপাশি তাকেও বরখাস্ত করা যাবে। কোচিং-বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সরকার পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়াসহ প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা অধিভুক্তি বাতিল করতে পারবে। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫-এর অধীনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।