Print

রিজার্ভ চুরির আরও ৫৩ লাখ ডলার ফেরত

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৫.০৫.২০১৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে চুরির আরও ৫৩ লাখ মার্কিন ডলার ফিলিপাইনের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের কাছে হস্তান্তর করেছে দেশটির

ক্যাসিনো জাংকেট অপারেটর কিম অং। বুধবার (৪ মে) এ টাকা হস্তান্তর করা হয়। 

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে চুরির বিপুল অংকের এ টাকা ফিলিপাইনে এনে ভাগ-ভাটোরোয়া করার অভিযোগে আদালতে দায়ের করা মামলায়  অভিযুক্তদের একজন কিম অং। অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের এ মামলাটি দায়ের করে।

বিশ্বজুড়ে রিজার্ভ চুরির আলোড়িত এ ঘটনা নিয়ে ফিলিপাইনের সিনেটে শুনানিতে কিম অং জানান, এ টাকা চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গোপন সুইফট কোর্ড জালিয়াতি করে এ টাকা তুলে নেয়ার সঙ্গে চীনা নাগরিক গাও শুহুয়া এবং দিং জিজি। তারাই এ টাকা ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকের মাকাতি সিটির জুপিটার শাখায় চার ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টে পাঠায়। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে চুরির টাকার একটি অংশ তার কাছে আসে।

সিনেট শুনানিতে কিম অং বলেছেন, এ টাকার উৎস সম্পর্কে তিনি অবহিত ছিলেন না। অবশ্য উৎস সম্পর্কে জানার চেষ্টাও তিনি করেননি। যখন জানতে পারেন, এ টাকা চুরি করে আনা হয়েছে তখনই তিনি ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। 

গত ৫ ফেব্রয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্টের গোপন কোর্ড ব্যবহার করে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। চুরির এ টাকার ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠানো হয় ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকের মাকাতি সিটির জুপিটার শাখার চার বিশেষ অ্যাকাউন্টে। সেখান থেকে ক্যাসিনো জাংকেট ও ব্যবসায়ীদের অ্যাকাউন্ট হয়ে চলে যায় জুয়ার বোর্ডে।

বাকি ২০ মিলিয়ন ডলার পাঠানো শ্রীলংকাভিত্তিক ব্সেরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা শাকিলা ফাউন্ডেশনের নামে। কিন্তু প্রাপক সংস্থার নামের বানানে ভুল থাকায় পেমেন্ট আটকে দেয় ব্যাংক কর্মকর্তারা।