Print

ভর্তুকি খাতে ব্যয় বাড়ছে চার হাজার কোটি টাকা

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৩.০৫.২০১৬

আসন্ন বাজেটে ভর্তুকি খাতে ব্যয় বাড়ছে চার হাজার কোটি টাকা।

কৃষি-রপ্তানি প্রনোদনাসহ নগদ ঋণ হিসেবেই দেয়া হবে ভর্তুকির ৭০ শতাংশ অর্থ। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমায় এবারই প্রথম বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসির জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে ভর্তুকির টাকার যথাযথ ব্যবহার প্রয়োজন।
গ্রাহককে কম দামে জ্বালানি তেল দিতে বছরের পর বছর ভর্তুকি দিয়ে আসছে সরকার। এতে বিপিসি’র দেনা জমেছিলো প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। অব্যাহত লোকসান কমাতে প্রতি বাজেটেই থাকতো বরাদ্দ। তবে দেড় বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমায় সংস্থাটি লাভ করেছে ছয় হাজার কোটি টাকার বেশি। তাই বাজেটে থাকা আটশ কোটি টাকা খরচ না হওয়ায় আসছে বাজেটেও রাখা হয়নি কোনো বরাদ্দ।
তবে বিদ্যুৎখাতে ভর্তুকি বহাল থাকছে। বেশি দামে কেনা বিদ্যুৎ কম দামে গ্রাহককে দিতে পিডিবি’র জন্য থাকছে ৬ হাজার কোটি টাকার নগদ ঋণ সহায়তা। কৃষি ও রপ্তানি প্রনোদনা মিলিয়ে ভর্তুকির আকার দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা।
তবে ভর্তুকির যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন আছে বিভিন্ন মহলে। উপকারভোগীদের সঠিক ডেটাবেজ না থাকায় রাষ্ট্রের দেয়া এই সহায়তার সুফল, অনেকক্ষেত্রেই চলে যাচ্ছে সুবিধাভোগীদের পকেটে।চলতি অর্থবছর ভর্তুকি খাতে সাড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা ২৬ ভাগ কমানো হয়েছে।