Print

বিডিনিউজডেস্ক.কম
সম্পাদক
একটানা অবরোধ-হরতাল চলছে, কিন্তু এর প্রভাব সম্প্রতি কিছুটা কমেছে, জীবনযাত্রাও কিছুটা স্বাভাবিক বিরাজ করছে।পন্য সরবরাহ হচ্ছে স্বাভাবিক ভাবে কিন্তু বড় বড় শিল্প কারখানাগুলোর মন্দাভাব কাটছে না। বেচা-বিক্রি স্বাভাবিক নিয়মে হচ্ছেনা তবুও কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতনসহ কারখানার সব ব্যয় মেটাতে হচ্ছে পূর্বের নিয়মানুযায়ী। যে ক্ষতি হয়েছে তা পুরন করতেও অনেক সময়ের প্রয়োজন। যেমন ব্যাংকের ঋনের কিস্তি ও রাজস্ব দিতে ব্যর্থ হচ্ছে কারখানাগুলো।

ব্যবসায়ীরা বলেছে, জীবনযাত্রা কিছুটা স্বাভাবিক হলেও নাশকতার ভয় এখনও কাটেনি। পন্য সরবরাহে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর যথেষ্ট সহায়তা থাকছে। আবার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো মুখোমুখি অবস্থানে যেতে পারে। তবে জানুয়ারী থেকে এ পর্যন্ত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা সত্বেও কারখানাগুলোতে কাঁচামাল সরবরাহে অনেকেই ব্যর্থ হয়েছে। ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ায় আয়ও কমেছে। এই অবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও লোকসান কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয়নি। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ কালের কন্ঠকে বলেছেন যে, কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগের মাধ্যমে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে পড়ে এসব বিনিয়োগ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। শিল্প খাতের উপর অর্থনীতি দন্ডায়মান। রাজনৈতিক অস্থিরতায় অর্থনীতির বিরাট বিপর্যয় ঘটেছে। এফবিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন যে, ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে না পারলে সময়মত কর দিতে পারবে না এবং পরিশোধ না হলে বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে। গত দুই মাসের ও বেশি সময় ধরে প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশ, যা বর্তমান অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের প্রায় অর্ধেক। আর প্রতিদিনের ক্ষতির পরিমান প্রায় ২৭০০ কোটি টাকা। অবরোধের ফলে কৃষিখাতে অভাবনীয় প্রভাবের ফলে কৃষকেরা মারাত্মক ঝুকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশি ক্রেতাদের সংকট কাটেনি।