Print

বিডিনিউজডেস্ক.কম   
সম্পাদক  
১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নারী সমাজের ভুমিকা অনন্য।

কৃষক বিদ্রোহ, প্রজা বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ, এমনকি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে ও নারী সমাজ অগ্রনী ভুমিকায় ছিল। আর সে কারনেই দেবী চৌধুরানী, প্রীতিলতা, নবাব ফয়জুন্নেছা, ইলা মিত্র, ও বেগম রোকেয়ার মত অসংখ্য গুনি মহীয়সী নারী আজ ও ইতিহাসের পাতায় স্মরনীয়-বরনীয় হয়ে  আছেন। তাদের সাহসিকতা, কর্মক্ষমতা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে ঝর্না ধারার মত সাহস ও প্রেরনা জুগিয়ে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহরে-গ্রামে, শিক্ষিত-অশিক্ষিত সকল পেশার মানুষের পাশাপাশি নারীরাও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। আত্মহংকার নারীদের চেতনাকে করেছিল উদ্বুদ্ধ। পাকিস্তানি হানাদারদের বিরাট অস্ত্রের কাছে বাঙালীদের মনোবল ছিল সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামী সাহসী আয়শা খানম, কাজী রোকেয়া সুলতানা, মনিরা আক্তার, হোসনে আরাসহ বহু নারী, নারী সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার সংগ্রাম চালিয়ে যান। তারামন বিবি, শিরিন বানু, এরকম অসংখ্য নারীরা জীবনের বাজি রেখে নানা প্রতিবন্ধকতা, বাধা বিপত্তি পেরিয়ে মানুষকে স্বাধীনতায় উদ্বুদ্ধ করে কাজ চালিয়ে গেছেন। নারীদেও যুদ্ধে অশংগ্রহনে উদ্বুদ্ধ করার ব্যাপারে বেশি প্রেরনা জুগিয়েছেন বেগম সুফিয়া কামাল। স্বাধীন বাংলা বেতারে শিল্পী সানজীদা খাতুনের নেতৃত্বে মহিলা শিল্পীদের অবদান চিরদিন চিরভাস্বর হয়ে থকবে। অনেক ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে লাখ সহীদের রক্তের বিনিময়ে, লাখ মা- বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আজ আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।তাই আনন্দে আজ বলতে ইচ্ছে করে,
                              বাংলা আমার মাতৃভূমি, বাংলা আমার মা’,
                              বাংলা আমার স্বপ্নপুরী, সবুজ শ্যামল গাঁ।
                              সষ্য-শ্যামল সবুজ ঘাসে, সোনার ফসল ফলে,
                              মাঠের সোনা ঘরে তুলে, ধন্য চাষীর দলে।