Print

গ্যাস বিদ্যৎ ও পানির সংকটে জনদুর্ভোগ

বিডিনিউজডেস্ক
০৫.০৫.২০১৬

নাজমা বেবী || সহ-সম্পাদক

 

প্রকৃতির প্রচন্ড তাপদাহ একদিকে যেমন জনজীবন দুর্বিসহ করে তুলেছে তেমনি অন্যদিকে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অভাবে জনজীবন প্রায় অচল।রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই তিন সমস্যায় ভুগছে অধিকাংশ মানুষ। পানির এই ভয়াবহতার জন্য ঢাকা ওয়াসা দায়ী করছে বিদ্যুতের অস্বাভাবিক লোডশেডিংকে। কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে তারা নিরুপায়।বস্তুতপক্ষে এই তিন সমস্যা একটির সাথে আর একটি সম্পর্কিত।

গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়, আর বিদ্যুৎ সংকটে ব্যাহত হয় পানির উত্তলন।জ্বালানী তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় ১৫শ’ মেগাওয়াট এবং গ্যাস সংকট ও কারিগরি ত্রুটির কারনে ১হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম উৎপাদন হচ্ছে। সব মিলিয়ে আড়াই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এর ঘাটতি রয়েছে।যদিও সরকারী ভাবে ঘাটতির পরিমাণ বলা হচ্ছে ১৬০০ মেগাওয়াট।

প্রচন্ড গরমে নগরবাসীর পানি ও বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার ফলে চাপ পড়ে প্রতিটি সেবা খাতের উপরই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগেুলোর সংকট লাঘবে সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্ভোগ লাঘব করা সম্ভব। এজন্য সুষ্ঠ পরিকল্পনার প্রয়োজন। বিদ্যুৎ উৎপাদন যে এখনও চাহিদার তুলনায় নিতান্তই অপ্রতুল তা, শহরের তুলনায় গ্রামের মানুষ টের পাচ্ছে ভালভাবেই। অনেকে মনে করেন বেসরকারী বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো কৃত্রিম সংকট তৈরী করে ফায়দা আদায়ের চেষ্টা করছে, এসব অভিযোগের প্রয়োজনীয় স্বত্যতা গ্রহনের জন্য সরকারের পদক্ষেপের প্রয়োজন।

শুধু রাজধানিী নয় বিদ্যুৎ সংকটে গ্রামাণ্ঞলের মানুষ বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।শহরের তুলনায় গ্রামে লোডশেডিং আরো বেশি। অথচ বিদ্যুতের ৫০ শতাংশ পল্লী এলাকায় সরবরাহ করার কথা। দেশের মানুষের দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখে এ সকল সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর জরুরী পদক্ষেপের প্রয়োজন। আর এটাই সকলের একান্ত কাম্য।