Tuesday 24th of January 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***২১ জেলার পণ্য পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

আহসানউল্লাহর শিক্ষক মাহফুজুর রশীদ ফেরদৌসের জামিন নামঞ্জুর

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৬.০৫.২০১৬ 

ছাত্রী ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেফতার আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এইউএসটি) সহযোগী অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রশীদ ফেরদৌসের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম মো. আমিরুল হায়দার চৌধুরির আদালতে সোমবার ফেরদৌস পক্ষে আইনজীবী  জামিনের আবেদন করেন। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করেন।গত ৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কলাবাগান থানার এসআই শামীম আহমেদ ধর্ষক অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রশীদ ফেরদৌসকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে বুধবার  হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডে দেয়ার আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম মো দেলোয়ার হোসেনের আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তাকে দুই দিনের  রিমান্ড মঞ্জুর করে।গত ৭ মে ফেরদৌস আদালতে নিজের  দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাকে জেলে পাঠান।ছাত্রীদের ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এইউএসটি) সহযোগী অধ্যাপক মো. মাহফুজুর রশীদ ফেরদৌসকে ৩ মে রাতে নিজের বাসা গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফেরদৌস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশল বিভাগের (ইইই) শিক্ষক।

গত ৩ মে রাতে ছাত্রীদের ধর্ষন যৌন হয়রানির অভিযোগে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল সায়েম কলাবাগান থানায় মামলা করেন। এরপর গভীর রাতে কলাবাগানের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।রাজধানীর তেজগাঁয়ে অবস্থিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে গত ৩০ এপ্রিল থেকে আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলনের মুখে ফেরদৌসকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, পড়া বোঝানোর নামে শিক্ষার্থীদের নিজের ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানি করতেন ফেরদৌস। তার ডাকে সাড়া না দিলে শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়া হত। ফ্ল্যাটে ডেকে কৌশলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোবাইল নিয়ে ফেরদৌস তার অফিসিয়াল নম্বরে আজেবাজে ম্যাসেজ পাঠিয়ে রাখতেন, যা দিয়ে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলতেন। এভাবে কৌশলে তিনি শিক্ষার্থীদের বাধ্য করতেন নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যেতে।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ বিষয়ে বহুবার লিখিত অভিযোগ করা হলেও সমাধান আসেনি। এরপর ৩০ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করে আন্দোলন শুরু হলে অভিযুক্ত এ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়।