Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Star Cure

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | তারিখঃ ০৮.০৬.২০১৯

ফের কাছাকাছি আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং কিম জং-উন? মার্কিন প্রেসিডেন্টের এক মন্তব্য ঘিরে তেমন জল্পনাই জোরালো হলো।

সম্প্রতি, দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদপত্র দাবি করেছে, হ্যানয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার ‘শাস্তি’ হিসেবে দূত কিম হক চোলকে হত্যা করার নির্দেশ দেন উত্তর কোরিয়ার সর্বময় কর্তা। একটি বিমানবন্দরে নিয়ে গিয়ে তাঁকে গুলি করে মারে ‘ফায়ারিং স্কোয়াড’। এই খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই দুনিয়াজুড়ে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।

কিন্তু এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কিমের পাশেই দাঁড়ান ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য, ‘কোনও কিছু ঘটলেই সবাই বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে কিমের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয়।’ সংবাদপত্রে প্রকাশিত এই খবরের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ট্রাম্প।

এটাও ঘটনা যে এর আগে একাধিক বার কিমের ‘স্বৈরাচারী কার্যকলাপ’ সংক্রান্ত ভুল খবর দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদপত্রে বেরিয়েছে। যা নিয়ে বিস্তর জলঘোলাও হয়েছে। এই সংবাদটি সত্যি না মিথ্যে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে মঙ্গলবার সিএনএন দাবি করেছে, উত্তর কোরিয়ার ওই রাষ্ট্রদূত বেঁচে আছেন এবং সরকার তাঁকে বন্দি করে রেখেছে। অর্থাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার শাস্তি তিনি পেয়েছেন, তবে সে শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নয়।

এদিকে ট্রাম্পের এভাবে কিমের পাশে দাঁড়ানো ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এটা কি তবে বরফ গলার ইঙ্গিত? হ্যানয়ের বৈঠকের পর দুপক্ষের রফা হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি, পিয়ংইয়ং-এর ফের পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার পথে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছিল। 

খানিক বাধ্য হয়েই আসরে নামতে হয়েছিল রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে সেতুবন্ধনের চেষ্টাও করছেন তিনি। তবে কি এই ‘পাশে দাঁড়ানো’ তারই ফল, জবাবটা সময়ই দেবে।