Saturday 25th of March 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***আইপিএলকে বাতিল করে দিল বিসিসিআই!***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

রুশ হ্যাকিং: গোয়েন্দাদের সাথে একমত ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | তারিখঃ ০৯.০১.২০১৭

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়া ডেমোক্রেট পার্টির নেটওয়ার্ক হ্যাক করেছিল বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যে দাবি তুলেছে, তা মেনে নিয়েছেন

মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার ‘ফক্স নিউজ সানডে’র এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান সহযোগী, হোয়াইট হাউসের পরবর্তী চিফ অব স্টাফ রাইনস প্রিবাস এ কথা জানান। তিনি বলেন, ডেমোক্রেটিক পার্টির সংগঠনগুলোর সার্ভারে সাইবার হামলার ঘটনাটিতে রাশিয়ার ভূমিকা ট্রাম্প মেনে নিয়েছেন, তাই এটি আর ইস্যু নয়। তবে হ্যাকের নির্দেশ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দিয়েছেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর এমন দাবির বিষয়ে ট্রাম্প একমত হয়েছেন কিনা তা পরিষ্কার করেননি তিনি।

নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর থেকেই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দাবি করে আসছে ট্রাম্পকে জেতাতে সহায়তা করেছে রাশিয়া। তাদের দাবি, ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটি এবং শীর্ষ কমিটির ই-মেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক, উইকিলিকসের মতো কিছু মাধ্যম ব্যবহার করে হ্যাকিং থেকে প্রাপ্ত তথ্য ফাঁস এবং এরপর রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেসব নিয়ে ‘ট্রল’ করে খারাপ মন্তব্যের ব্যবস্থা করেছিল রাশিয়া। ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ওপর থেকে জনগণের আস্থা সরাতেই দেশটি এ কাজ করেছে।

এদিকে শুক্রবার প্রকাশিত এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পকে জেতাতে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সে লক্ষ্যে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

২৫ পৃষ্ঠার ‘আনক্লাসিফাইড’ ওই প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, পরিষ্কারভাবে ক্রেমলিন ট্রাম্পের পক্ষ নিয়েছিল। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে গণমানুষের আস্থায় ধস নামানো। এছাড়া হিলারির চরিত্র কালিমালিপ্ত করার উদ্দেশ্যও ছিল তাদের।

মার্কিন গোয়েন্দারা শুরু থেকেই নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়টি দাবি করে আসলেও বরাবরই তা নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন ট্রাম্প। ওই হ্যাকিংয়ের পেছনে হয় চীন আছে অথবা তার ‘নিজের বিছানায় শায়িত ৪০০ পাউন্ড ওজনের কোনো হ্যাকার’ এ কাজ করেছে, এমন কথাই বলে আসছিলেন তিনি। এবারই প্রথম ট্রাম্প বিষয়টি মেনে নিয়েছেন, রিপাবলিকান দলীয় নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের শীর্ষ সহযোগীদের কেউ এ কথা স্বীকার করলেন।