Monday 1st of May 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** রোজা সামনে রেখে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু ১৫ মে; ২৮১১ জন পরিবেশক ও ১৮৫ ট্রাকের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে চিনি * হাওরে বাঁধ নির্মাণে গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সুনামগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী * ফরিদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলা, সংঘর্ষে নিহত ১ * অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান’ বিভাগের নাম এখন শুধু ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠান’* সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার * নিউ ইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা ও আবৃত্তিশিল্পী কাজী আরিফের জানাজা, মরদেহ দেশে আসবে মঙ্গলবার

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসছে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | তারিখঃ ১০.০১.২০১৭

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরো ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছে।

শিগগিরই এই বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য রাজ্যটি টেন্ডার আহ্বান করবে। এ জন্য বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎ বন্টন পর্যদের এক শীর্ষ কর্মকর্তা ঢাকায় এসেছেন।মঙ্গলবার ভারতের বাংলা দৈনিক যুগশঙ্খ এ খবর দিয়েছে। পত্রিকাটি লিখেছে, আবারো উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বিক্রি করতে উদ্যোগ নিচ্চে রাজ্য সরকার। আর এ ক্ষেত্রে গন্তব্য সেই প্রতিবেশি বাংলাদেশ। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশকে আড়াইশো মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবারহ করে থাকে রাজ্য বিদ্যুৎ বন্ট পর্যদ। রাজ্যেও বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও এই কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শিগগিই আমরা আরও পাঁচশো মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রির জন্য গ্লোবাল টেন্ডারে অংশগ্রহণ করবো।পত্রিকাটি লিখেছে, তবে এবারের এই বিদ্যুৎ বিক্রি করবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বন্ট পর্ষদ। যদিও বিরোধীদেও দাবি, রাজ্যেও সর্বত্রই যখন বিদ্যুৎ নিয়ে সমস্যা রয়েছে, তখন রাজ্য সরকার বাইওে বিদ্যুৎ বিক্রি করছে, এটা চুড়ান্ত অদুরদর্শিতার পরিচয়। যদিও মন্ত্রী তা মানতে নারাজ। তার কথায়, রাজ্যে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত। সেই বিদ্যুৎ বাইওে বিক্রি করে হাতে টাকা এলে সমস্যার কিছুই নেই।

তিনি বলেন, রাজ্যের প্রায় ৯৬ শতাংশ এলাকায় বিদ্যু সংযোগ আছে। সামান্য যে এলাকায় যায়নি, তাতে আগামী এক- দেড় বছরের মধ্যে চলে যাবে। তারপর যদি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরকার বিক্রি করে তাহলে প্রশ্ন কোথায়।যুগশঙ্খ জানায়, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রির বিষয় নিয়ে কথা বলতে ইতিমধ্যেই দপ্তরের এক উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা বাংলাদেশে গেছেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এই নিয়ে খুঁটিনাটি আলোচনা করবেন। তারপর সেই নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তি করেই চেন্ডারে অংশগ্রহণ করবে রাজ্য সরকার।বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব বলেন, আপাতত আমরা বাংলাদেশকে আড়াইশো মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছি। সেটার পরিমাণ বাড়াতে আমরা আগ্রহী। সে কারণেই এই টেন্ডারে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত।রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন পর্ষদ সূত্রের বরাতে পত্রিকাটি লিখেছে, বর্তমানে যে আড়াইশো মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেওয়া হয়, সেই সময়সীমা আরও ছ’মাস বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হচ্ছে।

উল্লেখ, বর্তমানে তাপ ও জলবিদ্যুৎ মিলিয়ে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ গড়ে সাড়ে ছ’ হাজার মেগাওয়াট। এর মধ্যে চাহিদা রয়েছে কমবেশি পাঁচ হাজার মেগাওয়াট। আর সিইএসসি’কে বিদ্যুৎ বিক্রি করা হয় প্রায় সাত-আটশো মেগাওয়াট। তারপরেও যে পরিমাণ বিদ্যুৎ থাকে, তার থেকে এই পাঁচশো মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রি করাই যেতে পারে।
যুগমঙ্খ লিখেছে, খুব শিগগিরই বাংলাদেশ সরকার এই বিদ্যুৎ কেনার জন্য বিশ^ব্যাপী টেন্ডার ডাকবে। রাজ্য বিদ্যুৎ বন্টন পর্ষদের পাশাপাশি, ডিভিসিও এই টেন্ডারে অংশগ্রহণ করবে বলে জানা গিয়েছে। ডিভিসি সুত্রে জানাগেছে, ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্য ও ভুটানের মতো দেশে ডিভিসি বিদ্যুৎ বিক্রি করে থাকে। সেই কারণেই তারাও এবার এই টেন্ডারে অংশগ্রহণ করছে।শোভনদেব যদিও জানিয়েছেন, এখনও এই নিয়ে টেন্ডার প্রকাশ হয়নি। কিন্তু আমরা এই খবর জানার পরেই আগ্রহ প্রকাশ করেছি। সেই কারণেই এক কর্মকর্তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, সব ঠিকঠাক চললে, আড়াইশো মেগাওয়াটের পর এই পাঁচশো মেগাওয়াট বিদ্যুৎও আমরা প্রতিবেশি বাংলাদেশকে দিতে পারবো।