আজ মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ময়মনসিংহে সুটকেসের ভেতর যুবকের লাশ * ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা স্থগিত * দিনাজপুরে বজ্রপাতে নিহত ৬ * দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে 'সুপার ম্যালেরিয়া' * রিয়ালের পথের ইতি টানতে চান বেনজেমা * মধ্যবাড্ডায় অগ্নিকাণ্ডে মায়ের মৃত্যু, ২ সন্তান দগ্ধ * পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই: বাড়ছে ক্ষোভ, ঝিমিয়ে পড়া

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | তারিখঃ ১৭.০৯.২০১৭

রোহিঙ্গা ইস্যুতে পুরো মিয়ানমারবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের সরকারি পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান করেন।

মিন অং হ্লাইং বলেন, ‘তারা নিজেদের রোহিঙ্গা হিসেবে স্বীকৃতি দাবি করছে। কিন্তু তারা কখনো মিয়ানমারের নৃগোষ্ঠী হিসেবে ছিল না। বাঙালি ইস্যু আমাদের জাতীয় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এ সত্য প্রতিষ্ঠায় আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

গত ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইনে কয়েকটি পুলিশ স্টেশন, সেনা ঘাঁটি ও সীমান্ত চৌকিতে হামলা চালায় রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা। এ হামলার পর রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়। এতে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে তিন হাজারের বেশি রোহিঙ্গা এবং প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে চার লাখেরও বেশি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দাবি, রাখাইনে সাধারণ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নয়, তারা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে। তারা বলছে, রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী যে ‘শুদ্ধি অভিযান’ চালিয়েছে, তার মূল লক্ষ্য ছিল গত ২৫ আগস্ট পুলিশ ফাঁড়ি ও তল্লাশিচৌকিতে সন্ত্রাসী হামলার মূল হোতাদের উৎখাত করা। তবে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, সেখানে জাতিগত নিধন চলছে।

এর আগে, গত বছরের অক্টোবরে সীমান্ত সংলগ্ন কয়েকটি চৌকিতে হামলা চালিয়ে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা ৯ পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছিল। এর জেরে রাখাইন রাজ্যে নির্বিচারে দমন অভিযানে নামে দেশটির সেনাবাহিনী। ওই অভিযানে বেসামরিক রোহিঙ্গাদের নির্বিচারে হত্যা, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া এবং ধর্ষণের মতো অভিযোগ ওঠে। সেসময় হত্যা, ধর্ষণ বা নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে ৮৭ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা দেশত্যাগ করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা ইস্যু বহুদিন ধরেই মিয়ানমারের অন্যতম আলোচিত সংকট। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর একটি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সম্প্রদায়। প্রায়ই সেখানে নির্যাতনের শিকার হন মুসলিম ধর্মাবলম্বী এ সম্প্রদায়ের লোকেরা। দেশটির রাখাইন রাজ্যে তাদের বাস, যারা পৃথিবীর কোনো দেশেরই নাগরিক নয়। রোহিঙ্গাদেরকে তার নাগরিক মনে করে না মিয়ানমার। বরং দেশটি মনে করে তাদের আদি আবাস বাংলাদেশ। এমনকি রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহারেও দেশটির সরকারের আপত্তি রয়েছে।