আজ মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ময়মনসিংহে সুটকেসের ভেতর যুবকের লাশ * ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা স্থগিত * দিনাজপুরে বজ্রপাতে নিহত ৬ * দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে 'সুপার ম্যালেরিয়া' * রিয়ালের পথের ইতি টানতে চান বেনজেমা * মধ্যবাড্ডায় অগ্নিকাণ্ডে মায়ের মৃত্যু, ২ সন্তান দগ্ধ * পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই: বাড়ছে ক্ষোভ, ঝিমিয়ে পড়া

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | তারিখঃ ২১.০৯.২০১৭

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে দৃঢ় ও দ্রুত

পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার সাধারণ পরিষদে শান্তিরক্ষী মিশন নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে একথা জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স।

ভাষণে মাইক পেন্স মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সহিংসতা অবিলম্বের বন্ধ ও দীর্ঘমেয়াদে কূটনৈতিক আলোচনায় বসার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেন, যদি এই সহিংসতা অব্যাহত থাকে তাহলে তা হিংসা ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে দেবে এই অঞ্চলে। যা আগামী প্রজন্ম ও আমাদের সবার শান্তির জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।

মাইক পেন্স বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও আমি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে এই সংকটের ইতি টানতে দৃঢ় ও দ্রুত পদপেক্ষ নেওয়া এবং রোহিঙ্গা মানুষের প্রয়োজনের সময় তাদের জন্য আশাবাদ নিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর তথাকথিত ক্লিয়ারেন্স অপারেশন শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘ সামরিক বাহিনীর এক অভিযানকে জাতিগত নিধন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের সমালোচনা করে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, সংস্থাটি এই নামের উপযুক্ত নয়। কারণ এতে ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী অনেক দেশকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

কিউবা ও ভেনেজুয়েলাকে ইঙ্গিত করে পেন্স বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য ও কর্মপদ্ধতি সংস্কার করা উচিত। চলতি সপ্তাহেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সমালোচনা করেছিলেন। এর আগে রাখাইন রাজ্যের মানবিক সংকট নিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চিকে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তিনি এ আহ্বান জানান।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টিলারসন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় সহযোগিতার জন্যও মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।