Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

Premier Bank Ltd

পর্যটকদের ঢল তিস্তা ব্যারাজে
বিডিনিউজডেস্ক.কম | তারিখঃ ০৩.১০.২০১৫

পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, কুয়াকাটা বা দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ সিলেটে বছরের বিভিন্ন সময়ের পাশাপাশি উৎসবের মৌসুমে পর্যটকদের ঢল নামে। দর্শনার্থীরা দূর-দূরান্ত থেকে ছোটেন ওইসব জায়গায়।

গত কবছর ধরে বন্ধু-পরিবার-স্বজন নিয়ে অনেকেই বেড়াতে আসছেন দেশের উত্তর জনপদের জেলা লালমনিরহাটে। এখানে সারা বছর পর্যটক এলেও এর সংখ্যা বেড়ে যায় ঈদের সময়। একটি দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এবং অপরটি তিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল। পাশাপাশি তারা ঘুরে যাচ্ছেন দেশের তৃতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর বুড়িমারী।
দুই ঈদের মৌসুমে প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক দর্শনার্থী তিস্তা ব্যারাজ ও দহগ্রাম বেড়াতে আসেন। এর বাইরে স্কুল ও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিকক্ষ-শিক্ষার্থীরাও এখানে আসেন শিক্ষা সফরে। তবে এবারের ঈদের পরদিন থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক আসছেন ওই দুটি জায়গায়। ২৭ সেপ্টেম্বর ব্যারাজ এলাকা ঘুরে এ তথ্যের সত্যতা মিলেছে। মাইক্রোবাস বা মোটরসাইকেলে হাজার হাজার মানুষ আসছেন এসব এলাকায়। সঙ্গে এনেছেন পরিবার-বন্ধু-স্বজন বা শুভাকাঙ্ক্ষীদের। অনেকে আবার এখানে এসে মেতে উঠেছেন পিকনিকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পর্যটকদের একই ধরনের ভিড় লেগেছে তিনবিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে। কথা হয় বগুড়া থেকে ঘুরতে আসা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাজু, লিকন, সৌরভসহ কয়েকজনের সঙ্গে। তারা জানান, অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল দহগ্রাম ও তিস্তা ব্যারাজে বেড়াতে আসার। আজ এখানে এসে সেই ইচ্ছে পুরণের পাশাপাশি অনেক ভালো লাগছে। ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা সাইফুল ইসলাম দম্পতি বলেন, ঈদ উপলক্ষে রংপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে এক ফাঁকে ঘুরে গেলাম তিনবিঘা করিডোর ও তিস্তা ব্যারাজ।
অপরদিকে পাটগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রহুল আমিন বাবুল জানান, আবাসন ও বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় অনেক দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী এখানে এসে দিনের মধ্যেই অনেকটা বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।লালমনিরহাটের জেলা প্রসাশক হাবিবুর রহমান রহমান মনে করেন, তিস্তা ব্যারাজ ও দহগ্রামে বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে। এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে পর্যটন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানোর কথা বলেছেন তিনি।