আজ শনিবার, ২৭ মে, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হল আলোচিত ভাস্কর্যটি * মধ্যরাতে ভাস্কর্য অপসারণের কাজ চলার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের সামনে বিক্ষোভ * ‘চাপে পড়ে’ ভাস্কর্যটি সরানোর কথা বললেন ভাস্কর মৃণাল হক; তবে কার চাপ, তা বলেননি তিনি * খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদককে গুলি চালিয়ে হত্যা, গুলিতে তার সহকারীও নিহত * সরকার বিরোধী নেতা-কর্মীদের হত্যার মিশনে, বললেন খালেদা জিয়া * মাগুরায় জেলা প্রশাসককে ঘুষ দিতে গিয়ে ৫ লাখ টাকাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

আস্থার ডাক দিলেন ব্রাজিলের অন্তবর্তী প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | তারিখঃ ১৩.০৫.২০১৬

জাতির উদ্দেশে আস্থার ডাক দিয়েছেন ব্রাজিলের নতুন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট মাইকেল তেমার।

শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
দেশটির সিনেট বৃহস্পতিবার দিলমা রৌসেফের অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেয়। এতে ছয় মাসের জন্য বরখাস্ত হয়েছেন তিনি। রৌসেফ বরখাস্ত হওয়ার পরপরই তাঁর শত্রু হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠা ব্রাজিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইকেল তেমার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হন। দায়িত্ব নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন তিনি।
ভাষণে তেমার আস্থার ডাক দিয়ে বলেন, ‘আমাদের জনগণের মূল্যবোধ ও অর্থনীতি পুনর্গঠনের সক্ষমতায় আস্থা রাখুন।’ তিনি বলেন, ‘ব্রাজিলে শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং ঐক্য জরুরি। আমরা এমন একটি সরকার গঠন করব, যা জাতিকে রক্ষা করবে।’ তেমার জানান, তাঁর প্রধান কাজ হবে অর্থনীতিতে প্রাণশক্তি ফিরিয়ে আনা।
সিনেটের ভোটের ফলে ব্রাজিলের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট রৌসেফকে এখন ছয় মাসের জন্য ক্ষমতার বাইরে থাকতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিশংসন-প্রক্রিয়া শুরু হবে, তা কয়েক মাস চলবে। রৌসেফের বিচার চলাকালে (সর্বোচ্চ ছয় মাস) অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন তেমার।
দায়িত্ব নিয়ে গতকালই একটি ব্যবসাবান্ধব মন্ত্রিপরিষদ ঘোষণা করেছেন তিনি। ডানপন্থী দল পিএমডিবির সদস্য তেমার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান হেনরিকে মেইরেলেসকে অর্থমন্ত্রী নিযুক্ত করেছেন। তেমার বলেন, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও অর্থনীতিকে ফের বাড়ন্ত করে তুলতে দেশের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনর্গঠন জরুরি।
এদিকে সিনেটের ভোটের পর রৌসেফ এক ভাষণে বলেন, এটি তাঁর বিরুদ্ধে ‘অভ্যুত্থান আর তামাশা’। রৌসেফ বলেন, পরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে অভিশংসনের এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
দিলমা রৌসেফ বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, ২০১৪ সালে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার আগে তাঁর হস্তক্ষেপে ক্রমবর্ধমান সরকারি অর্থনৈতিক ঘাটতি চেপে যাওয়া হয়েছে এবং অসত্য তথ্য-উপাত্ত দিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি দেশের বাজেট আইন ভঙ্গ করেছেন।একসময় মার্ক্সবাদী গেরিলা ছিলেন রৌসেফ। গত শতকের সত্তরের দশকে দেশটির সামরিক শাসনের সময় তাঁকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়।সিনেটের ভোটাভুটির আগে দেশটির কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ রৌসেফের বিরুদ্ধে অভিশংসন-প্রক্রিয়া শুরুর পক্ষে ভোট দেয়। রৌসেফ শুরু থেকেই এই অভিশংসনের প্রক্রিয়াকে তাঁর বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্রমূলক অভ্যুত্থান বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি এর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন।