আজ সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** বনানীতে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাতসহ পাঁচজনের বিচার শুরু * ভিয়েতনাম থেকে ২০ হাজার মেট্রিক টন চালের প্রথম চালান নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ * লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে সংঘর্ষে চালক নিহত * তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা * সীতাকুণ্ডে নয় শিশুর মৃত্যু ও ৪৬ জনের অসুস্থতার কারণ এখনও শনাক্ত করা যায়নি * চিকিৎসকরা বলছেন, ত্রিপুরা পাড়ার অসুস্থ শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে * ৫৬ ইউনিয়ন পরিষদ এবং একটি করে পৌরসভা ও জেলা পরিষদের কয়েকটি ওয়ার্ডে ভোট চলছে * চট্টগ্রামে ইয়াবা ও চোলাই মদসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর * দুর্নীতির দায়ে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট লুলার সাড়ে নয় বছরের কারাদণ্ড

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

একটি দেশকে ধ্বংস করে দিতে পারে রুশের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ‘সাটান’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | তারিখঃ ১৪.০৫.২০১৬

ভয়াবহ ধ্বংস ক্ষমতার অধিকারী পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুত নিচ্ছে রাশিয়া।

বলা হচ্ছে, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এ ক্ষেপণাস্ত্র একটি দেশকে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। খবর স্পুটনিকনিউজডটকমের
রাশিয়ার একটি টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রতি জানায়, আরএস-সারমাট ক্ষেপণাস্ত্রকে সোভিয়েত আমলের আর-৩৬এম ক্ষেপণাস্ত্রের জায়গায় বসানো হবে। ন্যাটো সামরিক বাহিনী নতুন এ ক্ষেপণাস্ত্রকে ‘সাটান’ বা শয়তান বলে থাকে।
আন্তঃমহাদেশীয় এ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন হবে কমপক্ষে ১০০ টন বা ২,৭০০ মণ। ধারণা করা হচ্ছে ,এ পর্যন্ত যত পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হয়েছে আরএস-সারমাট ক্ষেপণাস্ত্র হচ্ছে তাদের মধ্যে আকারে সবচেয়ে বড়। এ ক্ষেপণাস্ত্র একসঙ্গে কয়েক ডজন পরমাণু ওয়ারডেহ বহন করতে সক্ষম হবে।
রুশ টেলিভিশন চ্যানেলটি জানায়, আরএস-সারমাট ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা হবে প্রায় ১০ হাজার কিলোামিটার এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে এটি টেক্সাস কিংবা ফ্রান্সের মতো পৃথিবীর একটি অংশ মুছে দিতে পারবে।
রুশ টিভির খবরে বলা হয়েছে, এ ক্ষেপণাস্ত্র স্টিলথ প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে এবং রাডারের সাহায্য ছাড়াই লক্ষ্যবস্তু ঠিক করে তাতে আঘাত হানতে পারবে।
চলতি গ্রীষ্মকালে রাশিয়া এ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করবে বলে মস্কো আশা করবে। ২০০৯ সাল থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরির কাজ চলছে এবং ২০২০ সাল নাগাদ তা রুশ সামরিক বাহিনীতে যোগ করা হবে।