মুদ্রণ

 হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন ডিআইজি
জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ১০.১০.২০১৫

জাপানি নাগরিক কুনিও হোশির হত্যাকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন রংপুর পুলিশ রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হুমায়ুন কবীর।

এ ঘটনায় আটক দুই ব্যাংক কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।আজ শনিবার বেলা সোয়া একটার দিকে নিজ সম্মেলনকক্ষে ব্রিফ করেন ডিআইজি। হত্যাকাণ্ডটি স্পর্শকাতর উল্লেখ করে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।ডিআইজি বলেন, হত্যাকাণ্ড তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহে ও এই মামলার তদন্তের জন্য খুঁটিনাটি বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এসব কারণে এ মুহূর্তে মামলার বিষয়ে কোনো কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে তাঁদের চেষ্টা চলছে। আসল রহস্য বের করতে পারবেন বলে তাঁরা আশা করছেন।হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী নগরের কুমারপাড়া এলাকা থেকে আটক দুই ব্যাংক কর্মকর্তাকে আজ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন রাজশাহীর কুমারপাড়ায় ব্র্যাক ব্যাংক শাখার বিক্রয় ও সেবা কর্মকর্তা (সেলস অ্যান্ড সার্ভিস অফিসার) সুলতান নাহিদ ও একই ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড কর্মকর্তা এইচ এম শাহরিয়ার। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পাবনা থেকে সুইট হোসেন (৩৩) নামের এক যুবককে একই দিন আটক করা হয়েছে।গত মঙ্গলবার সকালে রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য রাশেদ-উন-নবী খান ওরফে বিপ্লব এবং কুনিওর খামারের সহযোগী হুমায়ুন কবিরকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। আজ বিপ্লবকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।কুনিওর মরদেহ রংপুরে দাফন করার প্রস্তুতির খবর নিয়ে গতকালও শহরজুড়ে আলোচনা ছিল। মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।৩ অক্টোবর সকালে খামারে যাওয়ার পথে রংপুর শহরের উপকণ্ঠে কাউনিয়া উপজেলার সারাই ইউনিয়নের কাচু আলুটারি গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন তিনি।এই হত্যাকাণ্ডকে কাপুরুষোচিত বলে আখ্যা দিয়ে এ জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাপান সরকার। এই হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্তও প্রত্যাশা করছে দেশটি।