আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ মে, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে সফরের আমন্ত্রণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর * সাত দফা দাবিতে উত্তরবঙ্গে পণ্যবাহী যানবাহনের ধর্মঘট আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়ছে * যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় বাস্তুহারা লীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, একজন আটক * সিনেটের ৩৫ জন শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা * সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের থাবায় মৌয়ালের মৃত্যু * সৌদি আরবে শেখ হাসিনা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময়

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

আল-কায়েদায় উঠে আসছেন বিন লাদেনের ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | তারিখঃ ১৪.০৫.২০১৬

আল-কায়েদার সাবেক নেতা ওসামা বিন লাদেনের এক ছেলে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনটির মুখপাত্রের কাজ করছেন।

চলতি সপ্তাহে জঙ্গিগোষ্ঠীর এক ভিডিওবার্তায় দ্বিতীয়বারের মতো কণ্ঠ দিয়েছেন ওসামাপুত্র হামজা বিন লাদেন।

অনলাইনে জঙ্গিবাদের নজরদারিতে যুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েবসাইট সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ, গত সোমবার প্রকাশিত আল-কায়দার ভিডিওবার্তায় হামজা বিন লাদেন সিরিয়ায় জঙ্গিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং আল-কায়েদার জঙ্গিদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ইসরায়েল এবং এর সমর্থক যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দেন হামজা বিন লাদেন। এ ছাড়া তিনি ফিলিস্তিন স্বাধীন করার আহ্বান জানান।  

সিএনএন জানায়, গত এক বছরের মধ্যে আল-কায়েদারদুটি ভিডিওবার্তায় কণ্ঠ দিয়েছেন হামজা বিন লাদেন। তাঁর পারিবারিক নাম ব্যবহার করে আল-কায়েদা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

সিএনএনের জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক পিটার বার্জেন বলেন, পারিবারিক নাম ব্যবহার করে হামজা বিন লাদেন অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ধারণা করা হয়, আল-কায়েদার অন্য নেতাদের বয়সের তুলনায় হামজা বেশ ছোট। জঙ্গিগোষ্ঠীটির অন্য নেতাদের বয়স ৫০ থেকে ৬০-এর মধ্যে। সেখানে হামজার বয়স ২০-এর কোঠায়। আল-কায়েদার পরবর্তী প্রজন্মও বলা যায় তাঁকে।

পিটার বার্জেন আরো বলেন, অল্প বয়সেই বাবার সান্নিধ্যে বড় হন হামজা বিন লাদেন। জিহাদি বার্তার সঙ্গে তিনি ভালোভাবেই পরিচিত। ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের মার্কিন বিশেষ বাহিনীর হামলায় ওসামা বিন লাদেন নিহত হন। ওই কমপাউন্ডে ছিলেন না হামজা। অ্যাবোটাবাদের বাড়িতে পাওয়া নথি সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় তাঁকে জঙ্গি প্রশিক্ষণে পাঠানো হয়েছিল।

হামজা বিন লাদেন এখন আল-কায়েদার কর্মকাণ্ড ও পরিকল্পনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নাকি শুধু বার্তায় কণ্ঠ দেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ভবিষ্যতে তিনি বড় নেতৃত্বে যেতে পারেন বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।