আজ রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় * সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

২৬ জানুয়ারি হরতালে সবার অবস্থান চায় জাতীয় কমিটি

জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ০৯.০১.২০১৭

২৫ জানুয়ারির মধ্যে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ সুন্দরবন বিনাশী সব প্রকল্প বাতিল না করা হলে ২৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগরীতে আধাবেলা হরতালের হুমকি দিয়েছে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি।

এদিন দেশের স্বার্থে, সর্বজনের স্বার্থে ঢাকার প্রত্যেককে এ কয়েক ঘণ্টা ব্যক্তিগত গাড়ি, কাজ বন্ধ রেখে সুন্দরবনবিনাশী সব তৎপরতার বিরুদ্ধে সবার অবস্থান জানানোর আহ্বান জানানো হয়।‘গ্লোবাল প্রটেস্ট ডে ফর সুন্দরবন’ উপলক্ষে শনিবার বিকালে রাজধানীর শাহবাগে ‘সর্বপ্রাণ সাংস্কৃতিক শক্তি’ আয়োজিত এক সমাবেশে এই ঘোষণা দেন কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ভয় দেখানো না হলে, দমন-পীড়ন না থাকলে, হয়রানি করা না হলে দেশের শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষ সুন্দরবন ধ্বংসকারী রামপাল প্রকল্পের বিরুদ্ধে মত দেবে। এই ৯৯ শতাংশ মানুষের মতের সঙ্গে ভারতসহ সারা বিশ্বের মানুষের মত যুক্ত আছে।’আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী লুটেরা, কোটিপতি কিংবা মুনাফাখোর, কমিশন-ভোগীরা এক আছে, তাদের বিরুদ্ধে মানুষের ঐক্যের দৃষ্টান্ত হিসেবে ৭ জানুয়ারি বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ দিবস পালন করা হয়। এর অংশ হিসেবে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কলকাতা ও নয়াদিল্লিতে, যুক্তরাজ্যের লন্ডনে, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে, ফ্রান্সের প্যারিসে, জার্মানি, ইতালিসহ উত্তর আমেরিকার নিউইয়র্কে শহরে সুন্দরবনবিনাশী এই কর্মসূচি পালন করছে।’

তিনি বলেন, ‘এই পৃথিবী কোনো রাষ্ট্রীয় সীমানা দ্বারা ভাগ করা যায় না। এর এক প্রান্তে বাতাস দূষিত হলে, নদীদূষণ হলে, বন উজাড় হলে অন্য প্রান্তের মানুষ বিপদগ্রস্ত হয়। এ জন্য সারা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে উন্নয়নের নামে, জিডিপি প্রবৃদ্ধির নামে প্রাণ-প্রকৃতি-পরিবেশ ধ্বংস হলে তার বিরুদ্ধে মানুষকে দাঁড়াতে হবে।’প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশি কবীর, শিল্পী কফিল আহমেদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় নেতা রুহীন হোসেন প্রিন্স, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী প্রমুখ।