Print
Category: জাতীয়

জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ১৭.০৮.২০১৭ 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা করা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাজ নয়।

ইসি এ উদ্যোগ নেবেও না। ইসি একটি স্বাধীন সত্তা। আমরা শপথ নিয়েছি কারও চাপে নতি স্বীকার করব না। কারও কাছে যাব না। এটাই যথেষ্ট।

বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে গণমাধ্যমের সাথে দ্বিতীয় দিনের সংলাপে এসব কথা তিনি। কে এম নুরুল হুদা বলেন, অনেক বিদেশি, এনজিও দুই দলের সাথে সমাঝোতা করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। আমাদের কারও কাছে যাওয়ার দরকার নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় কী ধরনের সরকার থাকবে- সে ব্যাপারে কমিশনের কোনো ভূমিকা নেই। ইসি একটি টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠান। সরকার যে নির্বাচন পদ্ধতি সেট করে দেয় সেভাবেই আমাদের নির্বাচন করতে হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, এখন যে অবস্থা আছে তা যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে এই সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে হলে আমরা তাই করব। আর যদি সরকার পরিবর্তন করে তাহলে সেভাবে হবে। কাজেই নির্বাচনের সময় কোন ধরনের সরকার থাকবে সে ব্যাপারে আমাদের কোনো ভূমিকা থাকার কথা নয়।

গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা নির্বাচনী পরিবেশ তৈরিতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ, রাজনৈতিক দলের সাথে একাধিকবার মত বিনিময়, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করা এবং পরিস্থিতি বুঝে প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকেও নির্বাচনে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন তিনি।

সিইসি বলেন, সেনাবাহিনী ‘জাতীয় গৌরব’। ভোটের মাঠে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় যদি কমিশন ভোটের সময় তাদের মোতায়েনের প্রয়োজন মনে করে তাহলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত করবে। বুধবার গণমাধ্যমের সঙ্গে ইসির প্রথম দিনের সংলাপ হয়। এদিন বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতাদের সাথে মতবিনিময় করে ইসি। সংলাপে আমন্ত্রিত ৩৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ২৬ জন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের সংলাপে টেলিভিশন, রেডিও ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের মোট ৩৪ জন প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানান ইসি।