Print
বিভাগঃ জাতীয়

‘প্রকল্প কি উন্নয়নের জন্য, নাকি কমিশন খাওয়ার জন্য’

জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ১২.০৫.২০১৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘প্রকল্প করা নিয়ে এবার একনেকের মিটিংয়ে প্রশ্ন করেছিলাম।

আমরা যখন প্রকল্প নেই তখন কোন বিষয়টি মাথায় রাখি? দেশের সার্বিক উন্নয়ন নাকি প্রকল্প তৈরির মধ্য দিয়ে কিছু কমিশন খাওয়া? কোনটা আসলে গুরুত্বপূর্ণ?’
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রকল্প করার সময় একটা বিষয় মাথায় রাখার অনুরোধ করবো। সেটা হলো- কোথায় কোন প্রকল্প সত্যিকারভাবে প্রয়োজন আর কতটুকু প্রয়োজন ওটা মাথায় রেখে কাজ করবেন।’বৃহস্পতিবার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ২১তম জাতীয় সম্মেলন ও ৩৯তম কাউন্সিল অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘দেশের ৮০-৮৫ ভাগ সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম মূলত আপনারাই করে থাকেন। আমার প্রকল্প পাস করি। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে এটার বাস্তবায়ন করেন আপনারা। আপনাদের দক্ষতা, আন্তরিকতা ও সততার ওপর নির্ভর করে প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন।’
জনসংখ্যা ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘যদি আমার বলি, দুটা সন্তানের বেশি নয়, একটা হলে ভালো হয়। এক্ষেত্রে যদি কারও পাঁচ সন্তান হয়, তাহলে সেই কি বাবা-মা তাদের সন্তানকে ফেলে দিতে পারে। কখনই ফেলে দেয় না। বরং সবাইকে খাবার, শিক্ষা দিয়ে মানুষ করার চেষ্টাই করে। আমরাও সেই মানসিকতা নিয়ে দেশ চালাই। জনশক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘জনসংখ্যা আমাদের সম্পদ। আমরা এটাকে সমস্যা মনে করি না। এই জনশক্তিকে যদি সঠিকভাবে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ দেওয়া যায় তাহলে আমরা অবশ্যই এগিয়ে যাবো। জনশক্তিকে জনসম্পদে পরিণত করা গেলে এটা কখনওই সমস্যা নয়।’প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তামনে বিশ্বে অনেক দেশ আছে যাদের দক্ষ জনশক্তি নেই। অর্থাৎ ইয়াং জেনারেশনের অভাব। সব ওল্ড এইজড কান্ট্রি হয়ে গেছে। আমরা তাদের লোক দেই। যারা তাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখে। আমাদের দেশ ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকটে পড়ুক এটা চাই না। এজন্য আমরা জনসংখ্যাকে সংকট বলে মনে করি না, সম্পদ মনে করি।’অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইডিইবিইর সভাপতি এ কে এম হামিদ।