Monday 27th of February 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***পাইপে পড়ে শিশু জিহাদ নিহত হওয়ার মামলায় চারজনের ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

সোফিয়া কনফারেন্সে হাসিনা রোল মডেল

জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ১৪.০৫.২০১৬

লন্ডন হয়ে আগামী ১৮ মে (বুধবার) বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়া যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৮ থেকে ২০ মে সোফিয়ায় অনুষ্ঠেয় গ্লোবাল উইম্যান লিডার্স ফোরাম এর 'কাউন্সিল অব উইমেন ইন বিজনেস ইন বুলগেরিয়া' কনফারেন্সে গেস্ট অব অনার ও কি-নোট স্পিকার হিসেবে তিনি বক্তব্য রাখবেন।

নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশকে রোল মডেল বিবেচনা করেই সারা বিশ্বের বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত হাই প্রোফাইল নারীদের এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেকে গেস্ট অব অনার করা হয়েছে।

১৮ মে স্থানীয় সময় বিকেলে কনফারেন্সের উদ্বোধনী অধিবেশনে মূল বক্তাও (কি-নোট স্পিকার) থাকবেন তিনি। গ্লোবাল উইমেন লিডার্স ফোরাম সূত্র জানায়, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আর সে কারণেই দেশটির প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

কনফারেন্সে রাজনীতি, ব্যবসা, এনজিওসহ বিভিন্ন সেক্টর থেকে অংশ নিতে যাওয়া প্রতিনিধিরা উদ্বোধনী অধিবেশনেই শেখ হাসিনার কাছ থেকে শুনবেন সেই গল্প, যাতে থাকবে নারীর ক্ষমতায়নের চলমান অভিযাত্রায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতার কথা।

গ্লোবাল উইমেন লিডার্স ফোরাম সোফিয়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ বিশ্বের শীর্ষ নারীদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। ফোরামের একজন কর্মকর্তা বলেন, গ্লোবাল উইমেন লিডার্স ফোরাম ব্যবসা, রাজনীতি এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সেক্টরের নারী নেত্রীদের ঐক্যবদ্ধ করতেই এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

তিনি জানান, তিন দিনব্যাপী ওই কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারীরা নারীর ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতার বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর ভূমিকা কিভাবে আরও দৃঢ় করা যায় সেই পথ খুঁজবেন।

নেতৃস্থানীয় নারী রাজনীতিক, উদ্যোক্তা, সরকারি কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা নারীর ক্ষমতায়নে সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করবেন তিন দিনের বিভিন্ন অধিবেশনে।

ভবিষ্যত প্রজন্মের নারী নেতৃত্ব তৈরিতে রোল মডেল খোঁজাই এই কনফারেন্সের সামগ্রিক লক্ষ্য বলেই জানান গ্লোবাল উইমেন লিডার্স ফোরামের ওই কর্মকর্তা।

এদিকে, গ্লোবাল উইমেন লিডার্স ফোরামের ডকুমেন্টে কনফারেন্স অতিথিদের পরিচয় দিতে গিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনার দীর্ঘ সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হয়েছে। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন মন্তব্য করে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরা হয়েছে তার পরিচিতিতে।  

এতে গুরুত্ব পেয়েছে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবোনাল গঠনের কথাও। এছাড়াও মানুষের ভোট, খাদ্য ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনার চলমান সংগ্রামের কথা উল্লেখ রয়েছে। তুলে ধরা হয়েছে বিভিন্ন বিশ্বসংস্থা থেকে এসবের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা পাওয়ার কথাও।

এইসব সংগ্রাম করতে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জীবনের উপর যে বারবার হামলা হয়েছে, যাতে তিনি পরোয়া না করেই সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন, সে কথাও জানানো হয়েছে তার পরিচিতিতে।