Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Star Cure

বিডিনিউজডেস্ক.কম| তারিখঃ ১৯.০৬.২০১৯

ফরাসি চিত্রাঙ্গনে মধ্য-ঊনবিংশ শতকের রিয়েলিজম আন্দোলনে প্রধান নেতা গুস্তাভ কুরবে।

তিনি চিত্রকলার টেক্সট বইয়ের পাঠ, তত্ত্ব, সূত্র সব প্রত্যাখ্যান করলেন, ফ্রেঞ্চ একাডেমির ধ্রুপদ ও নাটকীয় শৈলী বর্জন করলেন এবং সাহস করে নস্যাত্ করে দিলেন তাঁর আগের প্রজন্মের রোমান্টিকতা। তাঁর প্রতিশ্রুতি চোখে যা দেখবেন শুধু তাই আঁকবেন, এমনকি সেই বাস্তবতা যদি সাদামাটা ও দূষণীয় হয়, তবু।

গুস্তাভ কুরবে রিয়েলিটি মেনিফেস্টোরও প্রণেতা। ১৮৭০ সালে নেপোলিয়ন তাঁকে ‘লিজিয়ন অব অনার’ সম্মানে ভূষিত করতে চাইলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন; নেপোলিয়ন ক্ষিপ্ত হন কিন্তু জনতার কাছে শিল্পীর কদর অনেক বেড়ে যায়। রাজার অনুগ্রহ শিল্পীর জন্য নয়।

বিংশ শতকের কিউবিজমের বিকাশের পেছনের দুই শক্তি কুরবে এবং সেজান। কিউবিস্ট কবি-শিল্পীদের মুখপাত্র গিওম অ্যাপোলিনেয়ার সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, কুরবে হচ্ছেন নতুন যুগের শিল্পীদের জনক।

কুরবে বিতর্কিত ছিলেন বরাবরই। তিনিই জবাব দিয়েছেন, যখন আমি বিতর্কিত থাকব না, আমার গুরুত্বও থাকবে না।

ধনাঢ্য জোতদার পরিবারের এক পুত্র ও তিন কন্যার জ্যেষ্ঠ গুস্তাভ কুরবের জন্ম ফ্রান্সের উত্তরে ওরনাস শহরে ১০ জুন ১৮১৯। তাঁর পরিবার এবং তাঁর জন্মস্থান ঘিরে যে পরিবেশ, তিনি বারবার তাঁর ছবিতে ফিরে এসেছেন। তিনি তাঁর স্বজনদের বহু পোর্ট্রেট এঁকেছেন এবং অকাতরে বিলিয়ে গেছেন। তিনি স্কুলে ছিলেন সহপাঠীদের প্রিয়জন, কৌতুক করে সবাইকে মাতিয়ে রাখতেন।

সূচনা পর্ব (১৮৩৩-১৮৪৮): নব্য ধ্রুপদ ধারার শিল্পী গ্রসের শিষ্য ওরনাসের একজন শিক্ষক পিয়েরে বদ তাঁকে পেইন্টিংয়ের সঙ্গে পরিচিত করান। তখন তাঁর বয়স চৌদ্দ। ১৮৩৭-এ একটি স্টুডিওতে যোগ দিয়ে চিত্রকলার মৌল বিষয়গুলো রপ্ত করেন। ২০ বছর বয়সে প্যারিসে এস স্কুল অব ল-তে ভর্তি হন; কিন্তু নিয়মিত দুজন শিল্পীর স্টুডিওতে যাতায়াত করতে থাকেন। শুরুতে ল্যুভ জাদুঘরে গিয়ে রেমব্রান্ট, হালস, রুবেন্স, কারাভাজ্জিও এবং তিশ্যানের আঁকা ছবি নকল করে আঁকতে শুরু করেন। লুই ফিলিপ্পের স্প্যানিশ গ্যালারিতে তিনি ভেলাথকোয়েথকে আবিষ্কার করেন। ফরাসি চিত্রশিল্পীদের মধ্যে রোমান্টিক ধারার শিল্পী দেলাক্রোয়েকে পছন্দ করেন। এ সময় তিনি যতই এঁকেছেন, ততই অনুভব করেছেন তাঁর একটি স্পষ্ট নিজস্ব ধারা থাকতে হবে। তখনকার আঁকা ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: ম্যান ইন ডেসপায়ার ১৮৪১, কুরবে উইথ ব্ল্যাক ডগ ১৮৪২, দি ওন্ডেড ম্যান ১৮৪৪-৪৫, দ্য ম্যান উইথ লেদার বেল্ট এবং পোর্ট্রেট অব দি আর্টিস্ট ১৮৪৫-৪৬।

১৯৪৮-১৯৫৫ শিল্পীর জন্য রিয়েলিজমের বিকাশপর্ব; ১৮৫৬-১৮৭০ এই সময়টিকে ধরা হয় গুস্তাভ কুরবের সবচেয়ে সুফলা সময়; ১৮৭০-১৮৭১ একবারেই ভিন্ন ধরনের এ সময়, তিনি প্যারিস কমিউনের জোর সমর্থক, শিল্পাঙ্গনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব; কিন্তু তখন হাতে নেই পেইন্টব্রাশ; আর ১৮৭১-১৮৭৭, মৃত্যু-পুর্ববর্তী এই সময়টাই তাঁর জন্য সবচেয়ে কঠিন সময়।

জীবদ্দশায় বিদ্রোহী ও বোহিমিয়ান কুরবেই প্রথম শিল্পী, যিনি তাঁর প্রদর্শনীর স্পন্সর ছিলেন নিজেই।

 

রিয়েলিজমের ইশতেহার

কুরবে বিয়েলিজম আন্দোলনের গুরু। নিজের একটি প্রদর্শনীর ক্যাটালগে ১৮৮৫ সালে রিয়েলিটি মেনিফেস্টো লিখেছেন। এতে সে সময়কার রাজনৈতিক মেনিফেস্টোর সুরও ধ্বনিত। তিনি লিখেছেন: শিল্পী হিসেবে তাঁর লক্ষ্য হবে তাঁর বিবেচনা অনুয়ায়ী তার যুগের রীতিনীতি, ভাবধারা ও অবয়ব তুলে আনা। ‘আমার ওপর রিয়েলিস্ট খেতাব চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে যেমন করে ১৮৩০-এর শিল্পীদের ওপর চাপানো হয়েছিল রোমান্টিক। খেতাব কখনো বস্তু সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেয় না। যদি তাই দিত শিল্পীর কাজ তাহলে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ত। শিল্পী হিসেবে তিনি যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, মানুষ হিসেবেও তাঁর একই লক্ষ্য। ‘আমি প্রাচীন ও আধুনিক শিল্পকলা পাঠ করেছি, কোনো পূর্ব পদ্ধতি বা কোনো ধারণার বশবর্তী না হয়ে আমি চাই না’ কেউ কারো অনুগমনও করতে চান না, কারো অনুকরণও নয়। এমনকি শুধু ‘শিল্পের জন্য শিল্প’-এই মতবাদেও তিনি আস্থাহীন।

১৮৫০ সালে তিনি এক বন্ধুকে লিখেন: আমাদের এই অতিসভ্য সমাজে আমার জন্য প্রয়োজন আরণ্যক জীবনযাপন করা, এমনকি সরকারের হাত থেকেও আমার নিজেকে মুক্ত করতে হবে। তিনি লিখেছেন, আমি কখনো দেবদূত বা ঈশ্বর দেখিনি, কাজেই আমি তাদের আঁকতে আগ্রহী নই। প্যারিস কমিউনের পতনের পর যখন তাঁর সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়, তিনি তাঁর আঁকা ছবিগুলো ল্যুভ ও অন্যান্য জাদুঘরকে দিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন; কিন্তু ল্যুভ পরিচালক তাঁর ছবি রাখতে রাজি হননি।

 

শিল্পীর ঠাঁই কি কারাগারে?

ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধে ফ্রান্সের পরাজয়ের পর ১৮ মার্চ ১৮৭১ প্যারিস কমিউন নামের একটি বৈপ্লবিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। প্যারিস কমিউনের সময় সরকারের কাজে ভূমিকা রাখতে তিনি কিছু সময়ের জন্য শিল্পচর্চা থেকে দূরে সরে আসেন, বাম পন্থায় যাঁরা প্রতিশ্রুত, তাঁরা এমনই করে থাকতেন। তিনি তখনকার বাম সমর্থক শিল্পীদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায়ই সিদ্ধান্ত হয়, গণ-উত্থানের সময় শিল্পকর্ম নিরাপদ হেফাজতে রাখতে ল্যুভ ও লুক্সেমবার্গ প্রাসাদ জাদুঘর বন্ধ রাখার। ওদিকে জার্মান গোলাবর্ষণ প্যারিসকে সার্বক্ষণিক হুমকির মধ্যে রেখেছে। প্যারিস কমিউনের বাড়াবাড়ি সহ্য করতে না পেরে ২ মে গুস্তাভ কমিউন থেকে পদত্যাগ করেন। প্যারিস কমিউনের পতনের পর গুস্তাভ কুরবে রাষ্ট্রবিরোধী কথিত অপরাধে যখন কারাগারে, তাঁকে তখন একটি ইজেল ও রংতুলি সঙ্গে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল; কিন্তু কোনো মডেল নয়। ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধের সময় গুস্তাভ কুরবে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, ফ্রেঞ্চ আর্মির বিজয় স্মারক ভেনডোম কলাম প্রজাতান্ত্রিক চেতনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় বলে তা গুঁড়িয়ে দেওয়া উচিত। প্যারিস কমিউনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ২৮ মে ১৮৭১ তা ধ্বংসও করা হয়। প্যারিস কমিউনের পতনের পর তিনি গ্রেপ্তার হন। প্রথমে তাঁর লঘু সাজা হলেও নেপোলিয়নের জঙ্গি অনুসারী বোনাপার্টিস্টরা ভেনডোম কলাম ভাঙার মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করে, কলাম পুনর্নির্মাণের খরচ আদায় করতে শিল্পীর সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং তাঁর ৩২৩০৯১ ফ্রাঙ্ক জরিমানা করা হয়। প্রতিবছর ১০০০০ ফ্রাঙ্ক হিসেবে ৯১তম জন্মবর্ষ পর্যন্ত তাঁকে ৩৩ বছর এই অর্থ পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়।

অগত্যা ২৩ জুলাই ১৮৭৩ তিনি সুইজারল্যান্ডে পালিয়ে যান, ফ্লেউরিয়ার নামের একটি ছোট শহরে বাস করতে থাকেন। কিন্তু জায়গাটি ফ্রান্সের কছাকাছি হওয়ায় তিনি আরো দূরে সরে যান এবং সেখানে বোন-পোর্ট নামের একটি পুরনো সরাইখানা ক্রয় করেন। বোন-পোর্ট মানে নিরাপদ আগমন।

সুইজারল্যান্ড যদিও তাঁকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে, মূল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় তিনি বিষণ্নতায় ভুগতে থাকেন, অতিরিক্ত অ্যালকোহলনির্ভর হয়ে পড়েন, কদাচিত্ পেইন্টব্রাশ হাতে নেন। তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। জরিমানার টাকার প্রথম কিস্তি পরিশোধের চূড়ান্ত সময়ের এক দিন আগেই ৩১ ডিসেম্বর ১৮৭৭ মাত্র ৫৮ বছর বয়সে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।

নিজে বামপন্থী প্রজাতান্ত্রিক হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় হলেও তিনি তাঁর শিল্পকর্মের ওপর রাজনীতির ছায়া পড়তে দেননি।

তিনি নিজেই তাঁর পরিচয়

‘আমার বয়স পঞ্চাশ বছর। আমি সব সময়ই স্বাধীন জীবন যাপন করেছি, স্বাধীনভাবে আমার জীবন ফুরোতে দিন। যখন আমি মৃত, আমার সম্পর্কে এটা বলা হোক।’ তিনি কোনো গোষ্ঠীর ছিলেন না, কোনো চার্চের না, কোনো প্রতিষ্ঠানের না, কোনো স্কুলের না, স্বাধীনতার রাজত্ব ছাড়া অন্য কোনো শাসনের অধীনও না।

নিজের কাজ সম্পর্কে কুরবে লিখেছেন, আমি আমার যুগের রীতিনীতি, ভাবধারা ও অবয়বকে যেভাবে দেখি, সেভাবেই অনুবাদ করে চলেছি।

শিল্পী সেজান লিখেছেন, তাঁর প্রধান অবদান ১৯ শতকের চিত্রকলায় প্রকৃতির লিরিসিজম বা গীতিময়তা প্রতিষ্ঠিত করা। ভেজা পাতার গন্ধ, অরণ্যে শ্যাওলা ধরা পাথর তিনি যেভাবে জীবন্ত করে তুলতে পেরেছেন, অন্য কেউ তা পারেননি।

তাঁর সময়ের কিছু চিত্র সমালোচক তাঁকে অরুচিকর এবং ভালগার বলেছেন, বড় ক্যানভাসে তাঁর আঁকা অনেকেরই অপছন্দের ছিল, কারণ সে সময় মূলত রাজকীয় এবং চার্চ পেইন্টিংয়ে বড় ক্যানভাস ব্যবহূত হতো।

গুস্তাভ কুরবের আঁকা দি অরিজিন অব দ্য ওয়ার্ল্ড মূলত নারী যৌনাঙ্গের ক্লোজশট চিত্র, শিল্পী ও মডেল জোয়ানা হিফারম্যান এ ছবির জন্য মডেল হয়েছিলেন। অটোম্যান কূটনীতিক খালিল বে এই ছবির জন্য শিল্পীকে কমিশন করেছিলেন। ১৮৬৬ সালে আঁকা এই ছবি ১২২ বছর পর ১৯৯১ পর্যন্ত ফ্রান্সে প্রদর্শনীর অনুমতি পায়নি। জনপ্রিয়তার কারণে এই ছবিটিকে বলা হয় ‘নারী যৌনাঙ্গের মোনালিসা’। ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষদিকে মিত্রবাহিনীর ড্রেসডেন বোম্বিংয়ে গুস্তাভ কুরবের আঁকা বিখ্যাত ছবি স্টোনব্রেকার ভস্মীভূত হয়ে যায়।

‘আমার আদর্শের এক ফোঁটাও বিসর্জন না দিয়ে আমি আমার সারা জীবন শিল্পের জন্য বেঁচে থাকতে চাই।’ গুস্তাভ কুরবে ছবি বিসর্জন দিয়েছেন; কিন্তু আদর্শের এক ফোঁটাও না।

পঞ্চাশ বছর বয়সে তিনি লিখেছেন, আমার বয়স পঞ্চাশ হয়েছে, আমি সব সময়ই স্বধীনতার মধ্যে বাস করেছি। যখন আমার মৃত্যু হবে—এটাই বলা হোক : তিনি কোনো স্কুলের ছিলেন না, কোনো চার্চেরও না, কোনো প্রতিষ্ঠানের না, কোনো একাডেমির না, কোনো রাজত্বেরও না, যদি হয়ে থাকেন তবে শুধু স্বধীনতার রাজত্বের।

ট্র্যাজেডি, তাঁকেও কারাবাস করতে হয়েছে, তাঁকেও স্বদেশ থেকে পালাতে হয়েছে।

কয়েকটি সেরা ছবি : আ বেরিয়াল অ্যাট ওরনাস, দি অরিজিন অব আর্থ, দ্য স্টোন ব্রেকার্স, দ্য ডেসপারেট ম্যান, উইমেন উইথ আ প্যারট, দ্য ব্যাদার্স, ইয়াং লেডিস অন দ্য ব্যাঙ্ক অব দ্য সিন, দ্য ওয়েভ, দ্য হুইট শিফটার্স, সেলফ পোর্ট্রেট উইথ আ ব্ল্যাক ডগ, দ্য হ্যামক, ড্রেসিং দ্য ডেড গার্ল।

 

দ্বিশততম জন্মবার্ষিকী স্মরণ

১৮১৯-১৮৭৭

                                                              

গুস্তাভ কুরবে

১৮১৯ : জন্ম ১০ জুন ফ্রান্সের ওরনাসে।

১৮৩৩ : পেইন্টিংয়ে হাতেখড়ি

১৮৪০ : ৯ ফেব্রুয়ারি আইন পড়তে প্যারিসে আগমন; কিন্তু ভর্তি হন ছবি আঁকার স্টুডিওতে

১৮৪৭ : নেদারল্যান্ডস আগমন, রেমব্রান্টের শিল্পকর্মের সঙ্গে পরিচয়

১৮৪৮ : প্যারিস স্যালনে প্রদর্শনীর জন্য শিল্পীর আঁকা ১০টি ছবি মনোনীত

১৮৪৯ : আফটার ডিনার অ্যাট ওরনাস প্যারিস স্যালনে প্রদর্শিত হওয়ার পর থেকেই খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে

১৮৪৫ : দ্য ডেসপারেট ম্যান : সেল্ফ পোর্ট্রেট অঙ্কন

১৮৪৯ : ওরনাসে তাঁর বাবা একটি স্টুডিও নির্মাণ করে দেন

১৮৫০ : বেরিয়াল অ্যাট ওরনাস অঙ্কন।

১৮৫৫ : প্যারিস স্যালন আবারও ১০টি ছবি প্রদর্শনীর জন্য গ্রহণ করে; কিন্তু দ্য আর্টিস্টস স্টুডিও বড় আকারের কারণে প্রত্যাখ্যান করে

১৮৫৬ : জার্মানি ভ্রমণ ও জার্মান শিল্পকলার সঙ্গে পরিচিতি

১৮৬৩ : শিল্পীর লাঞ্চ অন দ্য লন প্যারিস স্যালন প্রদর্শনীতে প্রত্যাখ্যাত

১৮৬৬ : বিখ্যাত ও বিতর্কিত চিত্র অরিজিন অব দ্য ওয়ার্ল্ড আঁকেন, জোয়ানা হিফারম্যান ছিলেন এই ছবির মডেল

১৮৭০ : প্যারিস কমিউনে যোগদান, জনতার হাত থেকে শিল্পকর্ম রক্ষা নেপোলিয়নের দেওয়া লিজিয়ন অব অনার প্রত্যাখ্যান

১৮৭১ : কমিউনের পতন, ১১ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ

১৮৭২ : ১১ ফেব্রুয়ারি কারাগার থেকে মুক্তি

১৮৭৭ : ৩১ ডিসেম্বর সুইজারল্যান্ডে মৃত্যুবরণ