Print

তিন দিনের সফর শেষে ফিরে গেলো প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ভারতের ৬৬ তম প্রজাতন্ত্র দিবস প্যারেডে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

ওবামার এই সফর নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কম সমালোচনা হয়নি। আলোচনা সমালোচনা যাই হোক না কেন ভারতের দৃষ্টিতে ওবামার এই সফরকে সফলই মনে করছেন সে দেশের বোদ্ধারা। তবে পাশের রাষ্ট্র চীন এই নিয়ে কম বিদ্রুপ করেনি। চীনের চোখে ওবামার দিল্লি সফর এবং তাদের ভেতরে সর্ম্পক নেহাতই উপরে উপরে। বাস্তবে এটার কোন ভিত্তি নেই বলে বিদ্রুপ করছেন চীন!
চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার একটি মন্তব্য প্রতিবেদনের শিরোনাম দেয় হয় ‘‘ ইউ এস ইন্ডিয়া আনলাইকলি অন সেইম পেইজ।’’ এই মন্তব্যে বলা হয় জলবায়ু পরিবর্তন অথবা কৃষি খাতের মত নানান ইস্যুতে ভারত যুক্তরাষ্টের মতবিরোধ অনেক দিনের। এখনো এসব বিষয় নিয়ে তাদের মতবিরোধ আছে। এই মন্তব্য প্রতিবেদনে বেশ কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে আরো উল্যেখ করা হয় বছরখানেক আগে গুজরাটের মুথ্যমন্ত্রি থাকাকালিন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার জন্য ভিসা চেয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু তাকে ভিসা দেওয়া হয়নি! এ প্রতিবেদনে আরো বলা হয় ভারতকে আরো কাছে টানার জন্য এবং যুক্তরাষ্ট্র নিজ স্বার্থ উদ্ধারের জন্যই ওবামার এ সফর। সেখানে ভারত এটাকে নিয়ে বৃথায় মাতামাতি করছে। তাদেরে মতে ভারত যেহেতু কয়লাভিত্তিক গ্যাস বিদুৎ উৎপাদনে বিশ্বের তৃতীয় সে ক্ষেত্রে এই সুযোগটা নেয়ার জন্যই ওবামা ওত পেতেছে আর কিছু নয়।
চীন যখন এমন মন্তব্য করছে ঠিক তখন ভারত বলছে ভিন্ন কথা। তবে অনেকের মতে ভারত তার শক্তি দেখানোর জন্যই ওবামাকে প্রধান অথিতি হিসেবে দিল্লিতে এনেছেন। আর এই মুহুর্তে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে ভারতকে হাতের মুঠোয় রাখতে পারলেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এশিয়া শাসন করা সহজ হবে।
নানা ধরনের আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিয়ে দেশের পথে বারাক ওবামা এবং তার পরিবার। কে কার স্বার্থকে বড় করে দেখার জন্য এই সফরের আয়োজন সেটা হয়তো কিছুদিন পরেই দেখা যাবে।

 

রিপন রাফি