Print

হরতাল এবং অবরোধের নামে প্রতিদিনই মানুষ পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। আর তার ধারাবাহিকতায় গতকাল গায়বান্ধায় দগ্ধ হয়ে মারা গেলে শিশু সহ ছয় জন। এর কয়েকদিন আগেই মারা গেলো আট জন।পুরো বাংলাদেশটায় যেনো একটা বার্ন ইউনিট!

আর কত পুড়িয়ে মারবেন, আর কত মায়ের সন্তান খালি করবেন?
এই প্রশ্নটা এখন সবার বিলাপের! সারা দেশে রাজনীতির নামে যে সহিংসতা চলছে সেটার সমাধান কোথায় এমন প্রশ্নের জবাব খুজছে সাধারন মানুষ।বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গায় মানুষ এই অপরাজনীতি বন্ধের দাবী জানাচ্ছে। চারি দিকে শুধু বিলাপের শব্দ।রাস্তায় নামতে বাধ্য হচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক এবং রাজনৈতিক সংগঠন।এইসব অপরাজনীতির বন্দের দাবী জানাচ্ছে সাধারন মানুষ।
গতকাল বিকেলে গনজাগরন মঞ্চের ধারাবাহিক প্রতিবাদ সভায় জড়ো হয় বিভিন্ন পেশাজীবির মানুষ। সবার একটায় দাবী এমন সহিংসতা বন্ধ হোক।
বিকেল পাচটায় গনজাগরন মঞ্চ শাহাবাগ থেকে বাহাদুর শাহ পার্ক হয়ে আবার শাহাবাগ মুক্তির অভিযাত্রা নামে একটি পদযাত্রা করে। বিভিন্ন সামাজিক এবং সংস্কৃতিক সংগঠন সহ এতে অংশ নেয় বিভিন্ন পেশার সাধারন মানুষ। এই পদযাত্রায় মুল উদেশ্য ছিলো হরতাল অবরোধ এবং মানুষ হত্যা বন্ধ করা হোক।

শুধু গনজাগরন মঞ্চ নয় সোচ্চার হয়েছে পরিবহন শ্রমিক, ব্যবসায়ি থেকে শুরু করে সব শ্রেনীর মানুষ।গতকাল গুলশান-২ এ পরিবহন শ্রমিক সহ বিভিন্ন সংগঠন হরতাল অবরোধ বন্ধের জন্য প্রতিবাদি অবস্থান পালন করেছে। এ ছাড়াও ব্যবসায়ি সংগঠন সারা দেশে তাদের প্রতিবাদ সমাবেশ করবে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে।
দিন যাচ্ছে দেশের অবস্থা আরো ভয়াবহ পরিনতির দিকে যাচ্ছে। অচল হয়ে পড়ছে দেশ। কৃষক থেকে শুরু করে সাধারন ব্যবসায় নামছে ধস। ভয়ে কোন মানুষ রাস্তায় বের হতে পারছে না। এর ভেতরে শুরু হয়েছে এস এস সি পরীক্ষা। বাচ্চাদের বাবা মা থাকছেন আতংকে। রাজনিতি বা গনতন্ত্রের নামে আর কত মানুষ পুড়িয়ে মারা হবে বা আর কতদিন এভাবে আতংকে কাটবে সেটা জানতে চায় সাধারন মানুষ। সাধারন মানুষ এই অবস্থা থেকে অচিরেই বের হয়ে আসতে চায়।

 

জেবুন নেসা,
গণমাধ্যম কর্মী