আজ মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ময়মনসিংহে সুটকেসের ভেতর যুবকের লাশ * ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা স্থগিত * দিনাজপুরে বজ্রপাতে নিহত ৬ * দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে 'সুপার ম্যালেরিয়া' * রিয়ালের পথের ইতি টানতে চান বেনজেমা * মধ্যবাড্ডায় অগ্নিকাণ্ডে মায়ের মৃত্যু, ২ সন্তান দগ্ধ * পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই: বাড়ছে ক্ষোভ, ঝিমিয়ে পড়া

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

হায়-রে মানবতা,হায়-রে মানবাধিকার,কোথায় যাবে রোহিংগা মুসলিমারা,কার কাছে বিচার ই বা পাবে????????

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ২১.১১.২০১৬

ফ্যাক্ট-১: মিয়ানমারে চলমান ‘এথনিক ক্লিনজিং’-এর তীব্র নিন্দা জানাই।

ফ্যাক্ট-২: পৃথিবীর যে কোন ভৌগলিক সীমারেখায় (যে কোন দেশের অভ্যন্তরে বা অান্তঃদেশীয়) শুধু সংখ্যায় কম হবার কারণে, যে কোন ধর্মের, যে জাতির উপর অত্যাচার আর নিপীড়নের বিরোদ্ধে নিন্দা জানাই। সংখ্যায় কম হওয়া কোন অপরাধ নয়, অথচ অাজকের বাস্তবতা এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে যেন এটা জন্মগত অপরাধ।

ফ্যাক্ট -৩: যখন কোন দেশের অভ্যন্তরে বা অান্তঃদেশীয় সীমানায় এথনিক ক্লিনসিং সংগঠিত হয়, তখন প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে সে দেশের রাজনৈতিক কাঠামোও জড়িত। রাষ্ট্রীয় পেটুয়াবাহিনী দ্বারা মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় সবচেয়ে বেশি। আর এসব ঘটনায় সরকার ও রাজনৈতিক মহলের মৌন সম্মতিও থাকে। এ কারণে মিয়ানমারের ঘটনার দায় অং সান সুচি আর তাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এড়িয়ে যেতে পারে না। মিয়ানমার রাষ্ট্রটাই সরকার গঠন করেছে সেনাবাহিনী বুকে নিয়ে। অর্থাৎ, রাষ্ট্র পরিচালনার বহিরাবরণ যা-ই হোক, মেরুদণ্ড হলো সেনাবাহিনী। যে কোন রাষ্ট্রীয় পেটুয়াবাহিনী আর সাধারণ আমজনতা এক নয়। সেনাবাহিনীর শ্লোগানে সমর, শান্তি আর আদর্শের কথা থাকলেও, বিশ্বরাজনীতি অার দেশে দেশে যুদ্ধের ইতিহাস বলে এরাই সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন করে। মিয়ানমারেও তাই। মিয়ানমারের সাধারণ মানুষেরা আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের মতই। মিডিয়া রিপোর্টে বারবার অভিযোগ এসেছে সামরিক বাহিনীর প্রত্যেক্ষ অংশগ্রহণে সেখানে এথনিক ক্লিনসিং চলছে। তাই, সমস্ত বার্মিজ জাতিকে ও সাধারণ মানুষকে দোষ দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ না ছড়িয়ে অাসল অপরাধীদের বিরুদ্ধেই অামাদের কথা বলা উচিত।

ফ্যাক্ট -৪: মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নিধন অার অামাদের মুক্তিযুদ্ধকে যারা তুলনা করছেন, তাদের প্রতি সম্মান নিয়ে বলছি, এটা না-লায়েক চিন্তা-ভাবনা। একটা রাষ্ট্রের জন্মযুদ্ধকে যে কোন ঘটনার সাথে প্রতিতুলনা করতে করতে সেই রক্তক্ষয়ী মহান সংগ্রামের মহত্ব ধীরে ধীরে হালকা হয়ে যায়, তত্ত্বগত দিক থেকেও এমনটি জানা যায়। ফলে এখানে বুঝার বিষয় হলো, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী যখন অামাদের দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছিল ১৯৭১ এ, আমেরিকা যখন পাকিস্তানেরর পক্ষে হাওয়া দিয়েছিল, তখনো পাকিস্তান কিংবা অামেরিকাতে এমন সাধারণ মানুষজনের অস্তিত্ব ছিল যারা ছিল যুদ্ধের বিপক্ষে, শান্তির পক্ষে। এখনো ভারত পাকিস্তান অান্তঃদেশীয় বৈরী সম্পর্কের বলি সাধারণ মানুষ, অথচ সাধারণ মানুষ কখনোই ধ্বংসযজ্ঞ চায় না। শান্তি চায়। এসব উদাহরণ থেকে এটাই বলতে চাইছি, প্রতিটি হত্যাযজ্ঞের আলাদা আলাদা ধরণ, কারণ, মাত্রা থাকে। তুলনা করলে অাসল চিত্র লুকিয়ে পড়ে। প্রতিটি হত্যাযজ্ঞের বলি সাধারণ মানুষ, আর মূল ভিলেন রাষ্ট্রীয় পেটুয়াবাহিনী। ফলে অাসাদের ঘৃণা হোক সেই পেটুয়াবাহিনীর বিরোদ্ধে, কোন দেশের সাধারণ মানুষের প্রতিও না।

ফ্যাক্ট -৫: কেউ কি দয়া করে অামাকে বুঝিয়ে বলবেন কী করে নোবেল কাড়িয়া লইয়া রোহিঙ্গা নিধন বন্ধ করা সম্ভব?
প্রতিবেদক এবং প্রতিবাধকারী:

শেখ কামাল হোসাইন,সাধারন সম্পাদক,গুলশান থানা শাখা,

জাতীয় মানবাধিকার ফাউন্ডেশন,গুলশান-২,ঢাকা-১২১২,বাংলাদেশ.