Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Star Cure

বিডিনিউজডেস্ক.কম| তারিখঃ ২৫.০৫.২০১৯

 

নিঃশ্বাস নেওয়া থেকে শুরু করে খাবারের মাধ্যমে আমাদের শরীরে রাসায়নিক পদার্থ ঢুকে পড়ছে।

বাজার থেকে কিনে খাওয়া কোনো খাবারই এখন আর নির্ভেজাল পাওয়া যায় না। 

ফলে আজকে যে শিশুর জন্ম হচ্ছে, বলা হচ্ছে বাবার চেয়ে তার গড় আয়ু কম হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। আবার আগের প্রজন্মের তুলনায় বর্তমান প্রজন্ম শারীরিক দিক থেকেও অনেক দুর্বল হয়ে পড়ছে। সে কারণে সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন অভিভাবকরা চিন্তিত হয়ে পড়ছেন।

তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে সুস্থভাবে জীবনযাপন করা যায়। একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আমরা যে খাবার গ্রহণ করি, পোশাক পরি, যেসব প্রসাধনী ব্যবহার করি, বাড়িঘর থেকে শুরু করে জামাকাপড় এবং গায়ে যেসব স্প্রে ব্যবহার করি; সেগুলো হরমোন পরিবর্তন থেকে শুরু করে অ্যাজমা, ক্যান্সার এবং মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে।

এটা ঠিক যে, আমাদের শরীরের বাইরে কিংবা ভেতরে ক্ষতিকর কিছুর উপস্থিতি দেখলেই স্বাভাবিকভাবেই শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সেটা মোকাবিলার চেষ্টা আমাদের শরীরই করে। তবে আমাদের কলিজা, ফুসফুস, হার্ট, কিডনি তো নির্দিষ্ট সংখ্যক। সে কারণে এগুলো ভালো রাখার দায়িত্ব আমাদেরই।

এজন্য প্রথমেই দরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম। আমাদের শরীরে কোনো ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হলে সেটা কাটিয়ে ওঠার জন্য প্রথমেই দরকার পড়ে ঘুমের। সেজন্যও আবার ফ্রেশ ঘুমের কথা বলা হয়। ঘুমের মধ্যে বারবার চ্ছেদ পড়লে উল্টো ঘটনাও ঘটতে পারে।

ঘুমের জন্য রাতকেই উপযুক্ত সময় ধরা হয়। ঘুমানোর সময় আলো নেভানো ভালো। এতে করে শরীরের অন্যান্য জায়গাও অন্ধকারে অনেকটা নিদ্রার আবহে থাকবে। ঘুম থেকে ওঠার পর পানি পান করলে যেন ষোলো কলা পূর্ণ হয়ে যায়।

দ্বিতীয়ত, প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিহার করা। তৃতীয়ত প্রসাধনী সামগ্রী থেকে দূরে থাকা। মুখের যত্ন, চুলের যত্ন, ঘর পরিষ্কার করার জন্য রাসায়নিকের সাহচর্যে আমরা প্রতিদিন সময় পার করি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল এক মাস এসব থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারলেই ফল মিলবে।

কেবল যারা হাসপাতালে কাজ করেন , তাদের জন্য ব্যাকটেরিয়ানাশক প্রয়োজন। অন্যদের জন্য বাড়িতে এসব ব্যবহারের দরকার নেই। কারণ, মানবদেহে এমনিতেই ব্যাকটেরিয়ানাশক পদার্থ তৈরি হয়।

চতুর্থ, জানালা খুলে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের ঘরে যেসব আসবাব থাকে, ঘরের রং এবং অন্যান্য জিনিসপত্র থাকে, সেসব থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গমন হয়। জানালা খুলে রাখলে সেসব বাইরে চলে যেতে পারে। এজন্য দু'দিকে দু'টি জানালা খোলা রাখা সম্ভব হলে বেশি ভালো হয়।