Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Star Cure

বিডিনিউজডেস্ক.কম

তারিখঃ ০৮.০৫.২০১৫

প্রতিবছর শুধুমাত্র স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীর সংখ্যা আশংকাজনক হারে বেড়েই চলেছে। তালিকায় পুরুষেরাও বাদ যাচ্ছেন না। গবেষণায় জানা যায় প্রতি ২৮ জন নারীর মধ্যে ১ জন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন যা শহরের নারীদের জন্য আরও বেশি।

শহরে বসবাসরত নারীর প্রতি ২২ জনে ১ জন নারীকে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। ৩০ বছর বয়সের পর থেকে এই ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তবে এই ঝুঁকি বেশ সহজেই কমিয়ে আনা সম্ভব। প্রয়োজন শুধু আপনার সতর্কতার এবং সাবধানতার। মাত্র ৪ টি কাজেই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারেন অনেকাংশেই।

১) নিজেই নিজের পরীক্ষা করুন: নিয়মিত নিজেই নিজের পরীক্ষা করুন। মাসিক শেষ হওয়ার কিছুদিন পর নিজের স্তন নিজেই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন। ডান হাত দিয়ে বাম স্তনে আলতো চেপে ঘড়ির কাঁটার দিকের মতো ঘুরিয়ে দেখতে থাকুন কোনো গোটা বা লাম্প অনুভূত হয় কিনা। এছাড়াও স্টোনের দিকে তাকিয়ে গোটা, র্যা শ, টোল পোড়া বা বোটার কোনো পরিবর্তন নজরে পড়ে কিনা দেখুন। এছাড়াও ৩০ বছরের পূর্বে বছরে ১ বার এবং ৩০ বছর বয়সের পর বছরে ২ বার ডাক্তারি চেকআপ করিয়ে নিশ্চিন্ত হোন।

২) ৩০ বছর বয়সের পর পিল খাওয়া বন্ধ করুন: ইউকের জেনেসিস ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রিভেনশনের, ক্লিনিক্যাল জেনেটিক্স প্রোফেসর গ্যারেথ ইভান্স বলেন, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি এবং জন্মবিরতি করন পিল স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ানোতে অনেক বেশি কাজ করে। তাই অন্তত ৩০ বছর বয়সের পর এই ধরণের থেরাপি ও পিল খাওয়া ডাক্তারের পরামর্শক্রমে বন্ধ করা ভালো।

৩) কেমিক্যাল সমৃদ্ধ খাবার থেকে দূরে থাকুন: কেমিক্যাল সমৃদ্ধ খাবার, বিশেষ করে ক্যান জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে দূরে থাকা উচিত। প্ল্যাস্টিকের বোতল বা ব্যাগে বিসফেনল এ নামক যে কেমিক্যাল থাকে তা সহজেই বোতলজাত বা প্যাকেটজাত খাবারে চলে যায়। এই কেমিক্যালটি স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাজা খাবার ও ফ্রেশ খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। টিন, বোতল ও প্যাকেটজাত কেমিক্যালযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪) নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন: স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী শারীরিক পরিশ্রম। ওজন বাড়ার সাথে সাথে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। নিউইয়র্ক সিটি সেন্টার ফর ক্যান্সার অ্যান্ড প্রিভেনশনের এমডি হ্যারল্ড ফ্রিম্যান এবং প্রেসিডেন্ট ও ফাউন্ডার রালফ লউরেন বলেন, স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি মুক্ত থাকতে চাইলে অবশ্যই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরী। আর ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচাইতে ভালো উপায় হচ্ছে শারীরিক পরিশ্রম। সুতরাং অবহেলা করবেন না।