Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Star Cure

বিডিনিউজডেস্ক.কম  

তারিখঃ১১.০৫.২০১৫  

আসলে জীবনযাপনের বিজ্ঞান বা সায়েন্স অব লিভিং অনুসরণের মাধ্যমে একজন মানুষ আমৃত্যু সুস্থ থাকতে পারে। আমাদের মুনি-ঋষি-বুজুর্গ ও নবী-রসুলরাই এর বাস্তব উদাহরণ।

তাঁরা সুস্থ জীবনাচারে অভ্যস্ত ছিলেন বলে তাঁদের ইমিউন সিস্টেমও সবসময় চমৎকারভাবে কাজ করতো। এবং এভাবেই জীবনের শেষমুহূর্ত পর্যন্ত তাঁরা মানুষকে সেবা ও দুঃখমুক্তির পথ দেখিয়ে গেছেন। শরীরের রোগ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সক্রিয় ও কর্মক্ষম করে তোলার মাধ্যমে আমাদের পক্ষেও সম্ভব সুস্থতার এই শক্তি অর্জন করা। একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, মেডিটেশন আপনার এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেই সজীব ও অধিকতর সক্রিয় করে তোলে। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, আমাদের দেহে প্রতিনিয়ত ক্যান্সার সেল তৈরি হচ্ছে, কিন্তু তা টিউমারে রূপ নেয়ার আগেই আমাদের ইমিউন সিস্টেম সেগুলোকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ক্যান্সার তখনই হয় যখন ইমিউন সিস্টেম নিষ্ক্রিয় বা অবদমিত থাকে এবং প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করার শক্তি হারিয়ে ফেলে। আর এটি ঘটে তখনই, যখন ক্রমাগত মানসিক অশান্তি অস্থিরতা ও স্ট্রেসের কারণে ইমিউন সিস্টেমের ওপর থেকে মস্তিষ্ক তার স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ হারায়। অন্যদিকে, সুখানুভূতি ও মনের প্রশান্ত অবস্থা এবং নিয়মিত মেডিটেশন আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে সংহত করে তোলে। এর কার্যকারিতা বাড়ায়। ব্যায়াম এবং বিজ্ঞানসম্মত খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকাও এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক খাবার, বিশেষত মৌসুমি ফলমূল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শতকরা প্রায় ৮০ ভাগই নিয়ন্ত্রিত হয় ক্ষুদ্রান্ত্র দ্বারা। আর ক্ষুদ্রান্ত্রকে সুস্থ রাখতে পারে এরকম তিনটি খাদ্য হলো-আদা, রসুন ও মধু। এছাড়াও গ্রিন টি বা সবুজ চা-ও রোগ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সংহত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।