Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Star Cure

বিডিনিউজডেস্ক.কম

তারিখঃ ২১.০৫.২০১৫

আমরা সাধারনত আদা রান্নায় মশলা হিসেবে ব্যবহার করে থাকি। এছাড়াও আদা আমরা অনেকে কাঁচাও খেয়ে থাকি। আদাতে আছে শারীরিক ক্রিয়াকালাপ ঠিক রাখার জন্য অপরিহার্য ভিটামিন,

ম্যাঙ্গানিজ ও তামা। এছাড়াও এতে আরও রয়েছে জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মতো খনিজ পদার্থ। আর এই আদা দিয়ে তৈরি জুস আমাদের জন্য কতটা উপকারি তা হয়তবা আমাদের অনেকরই অজানা। এখন আপনাদের জন্য আদার জুস তৈরির পদ্ধতি এবং এর উপকারিতা সম্পর্কে নিম্নে দেয়া হল

আদার জুস তৈরির পদ্ধতি:

আদাকে ছোটো ছোটো কিউব বা ফালি করতে হবে। এরপর এতে কিছু পানি যোগ করতে হবে এবং এটা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করতে হবে। ব্লেন্ড শেষ হলেই তৈরি হয়ে যাবে আদার জুস এবং আপনি এটি খুব সহজেই পান করতে পারবেন। যদি এই জুস পান করতে কঠিন হয়ে যাই সেক্ষেত্রে আপনি এই জুসের সাথে সামান্য পরিমানে চিনি মেশাতে পারেন।

আদার জুসের উপকারিতা:

১. আদা ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং ক্যান্সার সৃষ্টিকারী সেল ধ্বংস করতে অনন্য ভূমিকা পালন করে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, আদা স্তন ক্যান্সারের সেলের বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে।

২. আদা অবিলম্বে মানুষের রক্ত তরল এবং রক্তের চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনি আদার জুসের সাথে মধু মেশাতে পারেন এটাকে সুস্বাদ করার জন্য।

৩. আদা বিভিন্ন রকমের ব্যাথা নিরাময় করতে সাহায্য করে এবং মায়গ্রেনসের ব্যাথা প্রতিরোধ করতেও সহায়তা করে।

৪. আদা হজমের জন্য সক্রিয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে। আদার জুস বা রস বিভিন্ন হজম সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে সাহায্য করে থাকে। ইহা পাকস্থলী থেকে খাদ্য প্রক্রিয়া সচল রাখতে সহায়তা করে।

৫. আরথ্রাইটিস এর মতো রোগের ক্ষেত্রেও ব্যাথানাশক হিসেবে কাজ করে আদার জুস বা রস।

৬. আদা শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। ইহা খারাপ কোলেস্টেরল কমায়।

৭. নআদার রস বা জুস শরীরকে শীতল করে।

৮. আপনি যদি লম্বা এবং উজ্জ্বল চুল পেতে চান তাহলে আপনাকে প্রতিদিন আদার রস পান করা উচিত। আপনি ভালো ফলাফলের জন্য ইহা মাথার ত্বকেও প্রয়োগ করতে পারেন। আদা আপনার চুলের জন্য ভালো কন্ডিশনার হিসেবেও কাজ করে। ৯. খুশকি কমাতে সাহায্য করে এবং চুল দ্রুত বৃদ্ধি করে।

১০. আদার রস বা জুস ব্রন কমাতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যতে ব্রন উঠা প্রতিরোধ করে। সুতরং পরিশেষে বলা যায়, আদার জুসের রয়েছে অসাধারণ নিরাময় ক্ষমতা এবং অনেক উপকারিতা।