মুদ্রণ

বিডিনিউজডেস্ক.কম 
তারিখঃ ০৭.০৬.২০১৫

ঘাড়ের ব্যথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। মূলত ঘাড়ের মেরুদণ্ডে যে হাড় ও জয়েন্ট আছে তা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়জনিত পরিবর্তন ঘটে, লিগামেন্টগুলো মোটা ও শক্ত হয়ে যায়

এবং দুটি হাড়ের মাঝে যে ডিস্ক থাকে তার উচ্চতা কমে এবং সরু হওয়া শুরু হয়। আবার অনেক সময় হাড়ের মাঝে যে ডিস্ক থাকে তার উচ্চতা কমে এবং সরু হওয়া শুরু হয়। অনেক সময় স্নায়ু রজ্জু সরু হয়ে যেতে পারে। ফলে ঘাড় ব্যথা ও নড়াচড়া করতে অসুবিধাসহ মাথা ব্যথা কিংবা ব্যথা হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। দীর্ঘদিন এ ব্যথা অব্যাহত থাকলে ঘাড়ের মেরুদণ্ডের বিকৃতি বা স্পাইরাল ডিফারমিটি দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যা প্রকারভেদে বিভিন্ন নামে নামকরণ করা হয় যেমন-সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস, সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসথোসিস ইত্যাদি।

ঘাড় ব্যথার প্রতিকার: এ রোগের চিকিৎসার উদ্দেশ্য হলো, ব্যথা কমানোর পাশাপাশি ঘাড়ের স্বাভাবিক নড়াচড়ার ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা, ঘাড়ের মাংসপেশির শক্তি বৃদ্ধি করা, ঘাড় বা স্পাইনের সঠিক পজিশন বা অবস্থা সম্পর্কে শিক্ষা দেয়া এবং যেসব কারণে ঘাড় ব্যথা হতে পারে তা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করে সেভাবে চলার চেষ্টা করা। ব্যথা কমানোর জন্য সাধারণত ব্যথানাশক ওষুধের পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা এসব রোগে অত্যন্ত কার্যকরি। বিশেষ করে পদ্ধতিগত ব্যায়াম যেমন হাত দিয়ে মাথায় বিভিন্নভাবে চাপ দিয়ে ঘাড়ের মাংশপেশি শক্ত করে, দুই কাঁধ একত্রে উপরে উঠানো, হালকা বালিশ ব্যবহার করা ইত্যাদি।