আজ বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় * সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ৩১.০৭.২০১৭ 

মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার ও আওয়ামী লীগ নেতা মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন আহমেদ আর নেই

(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শুক্রবার ভোর চারটার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন জিয়াউদ্দিন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।

১ জুলাই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় জিয়াউদ্দিনকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১১ জুলাই তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। জিয়াউদ্দিনের ছোট ভাই কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, জিয়াউদ্দিন লিভারের জটিলতায় ভুগছিলেন। কাল শনিবার তাঁর মরদেহ দেশে আনা হবে।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউদ্দিন আহমেদ ১৯৫০ সালের ডিসেম্বরে পিরোজপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা আফতাব উদ্দিন আহমেদ পিরোজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মহকুমা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

জিয়াউদ্দিন আহমেদ ছাত্রজীবনে ছাত্র ইউনিয়ন করতেন। ১৯৬৮ সালে তিনি পিরোজপুর মহকুমা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর ১৯৬৯ সালে জিয়াউদ্দিন পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে যোগ দেন। ১৯৭০ সালের শেষ দিকে কমিশন লাভ করেন তিনি। ১৯৭১ সালের ২০ মার্চ ছুটি নিয়ে লাহোর থেকে দেশে চলে আসেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি নবম সেক্টরের সুন্দরবন সাব-সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হন। সুন্দরবনে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি যুদ্ধে অংশ নেন জিয়াউদ্দিন।

১৯৭৫ সালে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থায় কর্মরত ছিলেন জিয়াউদ্দিন। সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর মেজর পদে থাকা অবস্থায় জিয়াউদ্দিন চাকরিচ্যুত হন। পরে তিনি সুন্দরবনে অবস্থান নিয়ে জাসদের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। সুন্দরবনের দুবলার চরে মৎস্য ব্যবসা শুরু করেন।

১৯৮৯ সালে পিরোজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জিয়াউদ্দিন। মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের কমান্ডার মেজর (অব.) এম এ জলিলের ঘনিষ্ঠ জিয়াউদ্দিন ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তিনি পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ‘সুন্দরবন সমরে ও সুষমায়’ নামে একটি বই লিখেছেন তিনি।

জিয়াউদ্দিনের মৃত্যুতে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পিরোজপুর প্রেসক্লাব ও বাগেরহাট প্রেসক্লাবের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।