আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** ময়মনসিংহে সুটকেসের ভেতর যুবকের লাশ * ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষা স্থগিত * দিনাজপুরে বজ্রপাতে নিহত ৬ * দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে 'সুপার ম্যালেরিয়া' * রিয়ালের পথের ইতি টানতে চান বেনজেমা * মধ্যবাড্ডায় অগ্নিকাণ্ডে মায়ের মৃত্যু, ২ সন্তান দগ্ধ * পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই: বাড়ছে ক্ষোভ, ঝিমিয়ে পড়া

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

মানসিক চাপ কমানোর উপায়

লাইফস্টাইলডেস্ক । তারিখঃ ১৪.১০.২০১৬

কিছু কিছু মানসিক চাপ থেকে নিজেকে কোনভাবেই মুক্ত রাখা যায় না- সে কথা সত্যি।

তবে এমন কিছু ব্যবস্থা আছে যেগুলো অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে উদ্বেগজনিত ক্ষতির পরিমাণটা কমিয়ে আনা যায়।

গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস: নিয়মিতভাবে ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের অভ্যাস করুন। ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস নিলে বা ছাড়লে মস্তিষ্ক বুঝে নেয় যে, আপনি ঝক্কি-ঝামেলামুক্ত হয়েছেন। আপাতত বিপদের আশঙ্কা নেই। এতে আপনার সারা শরীর একরকম বিশ্রামের সুযোগ পায়। ফলে আপনার রক্তচাপ কমে এবং রক্ত থেকে অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর পদার্থগুলো অপসারিত হয়।

মাঝে মাঝে ছুটি নিন: প্রতিদিনের ঝক্কি-ঝামেলা থেকে মাঝে মাঝে ছুটি নিলে আপনার মসিত্মষ্ক থেকে আবর্জনা দূর হয়। মস্তিষ্কসহ শরীরের যেসব কোষ ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে সেগুলো আবার সবল হওয়ার সুযোগ পায়।

বন্ধুত্ব করুন: সমাজে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় বাস করলে মানসিক চাপ বাড়ে। ২০০৬ সালের এক জরিপ দেখা গেছে প্রতি মার্কিনীর গড়ে ২ জন করে ঘনিষ্ঠ বন্ধু আছে। যাদের কাছে নিজের গভীর উদ্বেগের কথাগুলো বলে নিজেরা হাল্কা হতে পারে। ২০ বছর আগেও তাদের গড়ে ৩ জন করে বন্ধু ছিল।

নিয়মিত ব্যায়াম: মানসিক চাপ, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ইত্যাদির ফলে আপনার হার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু নিয়মিত ব্যায়াম আপনার হার্টকে সুস্থ-সবল রাখতে দারম্নণভাবে সাহায্য করে। ব্যায়াম আপনার এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে মনসংযোগ করার সামর্থ্যকে চাঙ্গা রাখে।

প্রচুর ফলমূল ও শাকসবজি খান: অত্যধিক পরিশ্রম, মানসিক চাপের ফলে আপনার শরীরে যেসব ক্ষতিকর পদার্থ সৃষ্টি হয়, ফলমূল ও শাকসবজি তা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

আরলি টু বেড: কথায় আছে, আরলি টু বেড অ্যান্ড আরলি টু রাইজ মেকস আ ম্যান হেলদি ওয়েলদি অ্যান্ড ওয়াইজ। দেরীতে ঘুমানোর অর্থই হল বেশি মানসিক চাপ, বেশি ক্লান্তি। এতে আপনার বিপাকীয় ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

যা করছেন আনন্দের সঙ্গে করুন: আপনি যা করছেন তা ভাল কাজ এবং এর জন্য দরকারে আপনি ত্যাগ করতেও প্রস্তুত-এমন একটা মনোভাব নিয়ে কাজ করলে আপনার জন্য কাজটা সহজ হয়ে উঠবে। চাপ কমবে। তবে তারপরও আপনার মাঝে মাঝে ছুটি প্রয়োজন।