Print

দেশে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ
জাতীয় ডেস্ক | তারিখঃ ১৪.১০.২০১৫

কক্সবাজারে উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করছে এমএসএফ হল্যান্ড, এসিএফ ও আইওএম নামের ৩টি বিদেশি সংস্থা।

এ সংস্থাগুলোর কারণে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও অপরাধ কর্মকান্ড বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে বিদেশি এনজিওগুলোর কর্মকান্ডে ক্ষোভ স্থানীয়দের। এদিকে, জেলা প্রশাসক বলছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গা নাগরিকের বসবাস কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে। এসব রোহিঙ্গাদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে বিদেশী সংস্থা এমএসএফ হল্যান্ড ও এসিএফ।তবে ২০১২ সালে মিয়ানমারে ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর রোহিঙ্গাদের উস্কানি দেয়ার অভিযোগে এমএসএফ হল্যান্ড ও এসিএফ'এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সরকার।এরপর ২০১৪ সালের শুরু থেকে নতুন করে কার্যক্রম শুরু করে আইওএম। আইওএমের তদারকিতে সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে নতুনভাবে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে আবারো কাজ শুরু করে এমএসএফ হল্যান্ড ও এসিএফ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বিদেশি এনজিও'র কারণে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও অপরাধ কর্মকাণ্ড বাড়ছে।
সরকারি নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে এসব বিদেশি এনজিও'র কার্যক্রম বন্ধ করার দাবি জানালেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম পরিষদের নেতা মাহমুদুল হক চৌধুরী।তবে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানালেন, সংস্থাগুলোর কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের ২টি শরণার্থী শিবিরে নিবন্ধিত ৩২ হাজারসহ ৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা কক্সবাজার জেলায় বসবাস করছে।