আজ বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** মেহেরপুর সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ১১ মামলার এক আসামির মৃত্যু * ক্রেতা সেজে দোকান থেকে মালামাল চুরির অভিযোগে চট্টগ্রামে তিন জন গ্রেপ্তার * দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী * লন্ডনে হামলাকারী দুইজনের নাম জানিয়েছে পুলিশ * সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমান মারা গেছেন

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

১০টি গুণ থাকলে সফল হতে ভাগ্য বা বুদ্ধির প্রয়োজন নেই!

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৬.০৫.২০১৬

সফল মানুষদের কাছ থেকে নানা পরামর্শ চেয়ে থাকে মানুষ। কারণ তারা নানা গুণে গুণান্বিত।

বহু চর্চা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা এসব গুণের অধিকারী হয়ে ওঠেন। তবে তাদেরও এমন গুণ আছে যা পেতে ভাগ্য বা বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন পড়ে না। আর তার কথাই জানাচ্ছেন দ্য ডেইলি মিউসের সাংবাদিক আজা ফ্রস্ট। এ প্রসঙ্গে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন তিনি। জানালেন, যখন নবম গ্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন, তখন কোচ বললেন, তিনি কখনোই সাড়ে ৯ মিনিটের মধ্যে এক মাইল দৌড়ে শেষ করতে পারবেন না। কারণ তিনি খাটো এবং মোটাসোটা। কিন্তু চোখে জল নিয়েই সকালে জগিংয়ে বের হতেন ফ্রেস্ট। মেনে নিলেন দৌড়বিদ হওয়ার ভাগ্য নিয়ে জন্মাননি তিনি।

তবে আগামী তিন মাসের মধ্যে এক মাইল পেরোনোর সময় ৮-৯ মিনিটের মধ্যে ওঠা-নামা করতো। একটা সময় দৌড়ের জুতা তুলে রাখলেন ক্লজেটে। কয়েক বছর পর আবারো আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা মিললো। আবার জুতা পরলেন। নিয়মিত দৌড় শুরু করলেন। প্রতিদিন ২-৩ মাইল পথ দৌড়ান এবং শিগগিরই ৪-৫ মাইল দৌড়ালেন। তিন মাস পর হাফ ম্যারাথনের পথ দৌড়াতে সক্ষম হলেন তিনি। প্রতি মাইল পেরোতে সময় লাগলো গড়ে ৭ মিনিট ১৩ সেকেন্ড। বুদ্ধিমত্তার প্রয়োজন পড়ে সফল হতে। এসব গুণ নিজের মাঝে নেই ভেবে বসে থাকা মানে পিছিয়ে পড়া। তবে বাস্তবতা বিবর্জিত হলেও চলবে না। অর্থাৎ, ফ্রস্ট এ চিন্তা কখনো করেননি যে তিনি অলিম্পিকে দৌড়াবেন। পরিশ্রম, ধৈর্য্য বা বুদ্ধিমত্তাকেই মানুষ সফলতা লাভের অন্যতম উপায় বলে মনে করে মানুষ। কিন্তু এগুলোই শেষ করা নয়। আরো ১০টি কাজ অনায়াসেই করা যায়। সফলতা লাভে এদের ভূমিকা অনবদ্য।

আবার এগুলো করতে মস্তিষ্ক বা দেহের জোর লাগে না।

জেনে নিন এদের কথা।

১. সময়মতো কাজে উপস্থিত থাকা।

২. কর্মআদর্শ মেনে কাজ করে যাওয়া।

৩. চেষ্টা চালিয়ে যাওরার মানসিকতা।

৪. ইতিবাচক অঙ্গভঙ্গি।

৫. প্রাণশক্তি ধারণ করা।

৬. ইতিবাচক আচরণ।

৭. কাজকে ভালোবাসা।

৮. নতুন কিছু শিখতে প্রস্তুত থাকা।

৯. কিছু বাড়তি কাজ করা।

১০. নিজেকে প্রস্তুত রাখা।