Saturday 25th of March 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

***আইপিএলকে বাতিল করে দিল বিসিসিআই!***

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

সহজে পড়া মুখস্ত করার টেকনিক
বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ১৬.০৫.২০১৬

নিউরোবিজ্ঞানীরা কিছুদিন আগে একটি ইন্টারেস্টিং গবেষণা করেছিলেন।

কিছু ছাত্রকে তাদের খুব অপছন্দের কোনো বিষয়ে পড়াশোনা করতে দিয়ে তাদের মস্তিষ্কের উপর নজর রাখছিলেন। কী আশ্চর্য, অল্প কিছুক্ষণ পরেই দেখা গেলো, ব্যথা পেলে মানুষের মস্তিষ্কের যে অংশের পেইন রিসেপ্টর স্নায়ুকোষ সক্রিয় হয়ে উঠে, বিরক্তিকর পাঠ্যবই পড়তে গিয়ে ছাত্রদের একই রকমের ব্যথা হচ্ছে। কাজেই ভ্যানভ্যানানি পড়া পড়তে গেলে মাথায় যদি করে ব্যথা, সেটা পড়া ফাঁকি দিতে আপনার আলসেমি বা অজুহাত না, বরং সেটা আপনার দেহের মনের কড়া প্রতিবাদ— এই চাপিয়ে দেয়া বিরক্তিকর পড়ার বিরুদ্ধে।কিন্তু? পাশতো করতেই হবে পরীক্ষায়। অথবা অফিসের বসের দেয়া কাজটা শেষ করতে হবে ? তবে উপায় কী? আছে। মনকে ফাঁকি দেয়ার কায়দাটা আছে। চলুন, দেই শিখিয়ে।এ ব্যাপারে একটি টেকনিক বা মেথড ডেভেলপ আবিষ্কার করা হয়েছে। যাকে বলা হয় পোমোডরো টেকনিক। ১৯৮০ সালে Francesco Cirillo এমন টেকনিক developed করেছেন।কায়দাটা খুব সহজ। পড়া বা এরকম আর কোনো কাজকে ২৫ মিনিটের খণ্ডে ভাগ করে নিন। ঘড়িতে বা মোবাইলে এলার্ম সেট করুন ঠিক ২৫ মিনিট পরে। এর বেশিও না, কমও না। এবং অন্য সব কিছু বন্ধ করে ২৫ মিনিট ধরে কাজটা করুন। যেই মাত্র এলার্ম বাজবে, অমনি কাজ বন্ধ। মিনিট পাঁচেক, দশেক হাওয়া খান, চা খান, সেলফি তুলেন, মন যা চায় তাই করেন। তারপর আবারও ২৫ মিনিটের এলার্ম।এর কারণটা কী? কারণ হলো বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, ২৫ মিনিটের মাথাতেই ব্রেইনের নিউরণগুলাতে বিরক্তিকর পড়ার প্রতিবাদ হিসাবে শুরু হয়ে যায় ব্যথা, আর আপনিও বিরক্ত হয়ে দেন ছেড়ে হালটা। কাজেই ঠিক ২৫ মিনিটের মাথায় যদি অপছন্দের কাজটা থামিয়ে দিতে পারেন, তাহলে নিউরনগুলা থাকবে খোশ মেজাজে। মনকে পারবেন ভোলাতে।আপনিও থাকবেন মেজাজে বেজায় খোশ। কাজটাও হবে, যতোই বিরক্তির হোক না কেন।মন ভোলানোর এই টেকনিকের নাম? পোমোডরো টেকনিক।