Monday 1st of May 2017

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** রোজা সামনে রেখে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু ১৫ মে; ২৮১১ জন পরিবেশক ও ১৮৫ ট্রাকের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে চিনি * হাওরে বাঁধ নির্মাণে গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সুনামগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী * ফরিদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলা, সংঘর্ষে নিহত ১ * অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান’ বিভাগের নাম এখন শুধু ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠান’* সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার * নিউ ইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা ও আবৃত্তিশিল্পী কাজী আরিফের জানাজা, মরদেহ দেশে আসবে মঙ্গলবার

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

তিন ঋতুরই দেখা পাবেন যেখানে

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৫.০১.২০১৭

সুনসান নীরবতা, নিস্তব্ধতা আপনাকে আপন করতে চায়, কিন্তু আপনারই ফুসরত মিলছে না।

হঠাৎ করে একদিন মনে হলো, আর পেরে উঠছি না! এবার একটু কোথাও ঘুরে আসা যাক। হাতে যে তালিকাটা আছে, তার প্রায় সবটুকুই দেখা শেষ। এখন নতুন কোনো জায়গার খোঁজে? পাহাড়ের কোলজুড়ে সবুজ গাছপালার ঘন রঙে আচ্ছাদিত হয়ে আছে সাজেক। এর সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। চারদিকে সবুজের সমারোহ আর প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যে পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য, আকাশ-পাহাড়ের মিতালি ও শুভ্র মেঘের খেলা দেখে বিস্ময়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়বেন আপনি।

পাহাড়, উপত্যকা, মেঘ আর বাতাসের রাজ্য এই চারের মিশেলে খুব সহজেই চলে আসে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের নাম। এখানে পাহাড় সারির দুই পাশের গভীর উপত্যকার ওপর মেঘ ঝুলে থাকে সারাবছর, পাহাড়ের দুরন্ত বাতাস এক পাশ থেকে আরেক পাশে লুকোচুরি খেলতে যায় বলে সাজেকে হাওয়া খেলে সারাবছর, আর এই হাওয়ার গাড়িতে চেপে মেঘের আনাগোনাও আপনাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে মেঘের ভেলায়। সাজেক আরেকটা কারণে অনন্য এজন্যে যে এখানে এক স্থান থেকেই সূর্যোদয় ও সুর্যাস্ত দেখা যায় দূরের পাহাড়সারিতে। সাজেক এমন একটি স্থান, যেখানে আপনি এক দিনেই ৩ ঋতুর স্বাদ পেতে পারেন, রাতে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা, কখনো ঝুম বৃষ্টি, কখনোবা উষ্ণতা, তবে সাজেক সারা বছর সব আবহাওয়ায় যাওয়ার মতো স্থান।

উচ্চতার বিচারে সাজেক সমতল থেকে মাত্র এক হাজার ৭০০ ফুট উঁচু হলেও প্রায় দুই হাজার ৮০০ ফুট উচ্চতায় বান্দরবানের জনপ্রিয় হিলস্টেশন নীলগিরি থেকেও অনেকেই একে পছন্দের বিচারে এগিয়ে রাখেন কাসালং রেঞ্জের দুই পাশের দুটি উপত্যকা একই স্থান থেকে দেখা যায় বলে, বাংলাদেশে এ রকম স্থান পার্বত্য অঞ্চলে বিরল। কাসালং পাহাড় সারি দুই পাশেই গভীর উপত্যকা থাকায় ও উচ্চতা কম হওয়ায় প্রতিদিন ভোরে সাজেক ডুবে থাকে মেঘের রাজ্যে যেটি বান্দরবানের উঁচু পাহাড়ের ক্ষেত্রে মেঘের সারি থাকে পাহাড় চূড়া থেকেও অনেক নিচে।সাজেক একটি ইউনিয়ন। এর অবস্থান রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায়। তবে রাঙামাটি জেলা সদরের সাথে সাজেকের সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ নেই, যেতে হয়ে খাগড়াছড়ি জেলা হয়ে, তাই অনেকেই একে খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্গত বলে ভুল করে ভেবে থাকেন।খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকের দূরত্ব ৬৭ কিলোমিটার, এরপুরোটাই সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। রাঙামাটি থেকেও সাজেক আসা যায়, তবে এ ক্ষেত্রে কাপ্তাই লেক পাড়ি দিতে হয় লঞ্চ বা নৌকায়, এরপর লংদু হয়ে মারিশ্যা হয়ে চান্দের গাড়িতে পৌঁছানো যায় সাজেকে। সাজেক ইউনিয়ন বাংলাদেশের বৃহত্তম ইউনিয়ন, এর আয়তন বাংলাদেশের অনেক উপজেলা হতেও বড়। সাজেক পর্যটন কেন্দ্রটি মূলত সাজেক ইউনিয়নের রুইলুইপাড়াকে ঘিরে (সমতলে যা গ্রাম, পাহাড়ে তা পাড়া নামে পরিচিত)।