Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Premier Bank Ltd


বিডিনিউজডেস্ক.কম | তারিখঃ ২৬.০৯.২০১৫

সৈকত নগরী কক্সবাজার কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে নতুন সাজে সাজছে । হোটেল মোটেলের রং পাল্টানোসহ নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।
পর্যটকদের আগমনের এখন অপেক্ষার পালা। ইতিমধ্যে কক্সবাজারের চার শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউস, রেস্ট হাউসের অর্ধেক রুম বুকিং হয়ে গেছে।

তবে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে এ বছরের প্রবল বৃষ্টি ও মহাসড়কের বেহাল অবস্থা নিয়ে। প্রতিদিন ব্যাপক হারে বৃষ্টিপাত হচ্ছে আর ভাঙ্গা রাস্তা ও যানজটের কারণে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। এ অবস্থা চলতে থাকলে কক্সবাজারে আশানুরূপ পর্যটক নাও আসতে পারে বলে ধারনা সংশ্লিষ্টদের। এমনিতেই ঈদের আগে-পরে কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের আগমন ঘটবে এমনটাই আশা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
ঈদকে সামনে রেখে কক্সবাজারের হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউজসহ পর্যটন স্পটগুলো সাজানো হচ্ছে নানা আকর্ষণীয় সাজে। নতুন আসবাবপত্র দিয়ে হোটেল-মোটেল সাজানো ছাড়াও দেওয়ালের পুরনো আস্তরণ তুলে লাগানো হচ্ছে প্লাস্টিক পেইন্ট কিংবা ডিসটেম্পার। রেস্তোরাঁ গুলোতেও চলছে ধোয়ামোছা ও রং লাগানোর কাজ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়ার প্রস্তুতিতেও নেওয়া হয়েছে।
কয়েকটি গেস্ট হাউজ মালিক জানান, গত কয়েক বছর রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটকের সংখ্যা কম ছিল। কিন্তু এখন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় এবার ঈদের পরে পর্যটন মৌসুমে হোটেলের ভালো ব্যবসা হবে। ইতিমধ্যে হোটেলের ৫০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে।হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউসে ধোয়া-মোছা ও রং করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।পর্যটন রাজধানী কক্সবাজারের পর্যটন স্পট মহেশখালী, হিমছড়ি, ইনানী, দরিয়ানগর, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলো সাজছে নতুনভাবে। কক্সবাজার শহরের বার্মিজ মার্কেটগুলোতে নানা রকমের বাহারি বার্মিজ পণ্যের সমাহার নিয়ে দোকানিরা বসে আছেন পর্যটকদের আগমনের অপেক্ষায়।
যদি বৃষ্টিপাত না হয় তাহলে কক্সবাজারে প্রায় ২ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটবে।কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো আলী হোসেন বলেন, পর্যটক হয়রানি বন্ধে হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় মূল্য তালিকা টাঙ্গানোর নির্দেশসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পর্যটক হয়রানি বন্ধে জেলা প্রশাসন নানা ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রশাসন।কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাধ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সজাগ থাকবে। পর্যটন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারী বাড়ানো হবে।
তিনি আরো বলেন, জেলা পুলিশ থেকে টুরিস্ট পুলিশ আলাদা করা হয়েছে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ৮২ জন ফোর্স টুরিস্ট পুলিশের আওতায় আনা হয়েছে। তাই এবার পর্যটকরা নিরাপদে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ করতে পারবেন।