Nabodhara Real Estate Ltd.

Khan Air Travels

Premier Bank Ltd


বিডিনিউজডেস্ক.কম | তারিখঃ ২৭.০৯.২০১৫

সেন্টমার্টিন দ্বীপের ছোট বড় শতাধিক হোটেল এবং সৈকত একাধারে কয়েকমাস বন্ধ থাকার পর নতুন করে অপরূপ সাজে সাজছে । ঈদের পরের দিন টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে কেয়ারী সিন্দাবাদ জাহাজ চলাচল করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ঈদের ৩ দিনের ছুটি কাজে লাগানোর জন্য পর্যটকরা সেন্টমার্টিনদ্বীপে বেড়াতে আসবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপে আবাসিক-অনাবাসিক ছোট বড় হোটেল মোটেল কটেজ আছে শতাধিক। গত বছর এসব হোটেল ও কটেজের সংখ্যা ছিল তার অর্ধেক। সেন্টমার্টিন দ্বীপ আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির এক নেতা কাজী ফিরোজ জানান, পর্যটকবাহী জাহাজ চালু হলে পযর্টকের ঢল নামবে। এতে দ্বীপের আবাসিক ও খাবার হোটেল এবং সমুদ্র সৈকতকে নতুন করে সাজানো হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য হোটেল এবং কটেজ হচ্ছে- প্রিন্স হেভেন, আল বাহার, প্রাসাদ প্যারাডাইজ, কক্সবাংলা, রোজ মেরী, ব্লু মেরিন রিসোর্ট, ডলফিন, সী আইল্যান্ড, সী ব্লু, ব্লু সী, ব্লু মুন, সীমানা পেরিয়ে, অবকাশ, ড্রীমনাইট, সিটিবি, ডায়মন্ড, আইল্যান্ড প্রাসাদ, প্রিন্স আলবাহার, ঊশান ভিউ, সমুদ্র বিলাস, স্বপ্নপুরী, স্বপ্ন বিলাশ, সাগর বিলাস, জলপরী, নীল দিগন্ত, নাবিবা বিলাস, পান্না রিসোর্ট, কোরাল ভিউ, সেন্ট রিসোর্ট, রেহানা কটেজ, ময়নামতি, দেওয়ান কটেজ, গ্রিন ল্যান্ড, মুজিব কটেজ, শাহজালাল কটেজ, রেজা কটেজ, রিয়াদ রেস্ট হাউস, বে অব বেঙ্গল।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা ব্যবসায়ী ছিদ্দিকুর রহমান জানান, দ্বীপের মানুষ পর্যটকদের বরণ করতে সদা প্রস্তুত। সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে দেশি বিদেশি পর্যটকরা নিরাপদে দ্বীপ ভ্রমণ করতে পারবে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান, দ্বীপের মানুষ সবসময় পর্যটক বান্ধব। অন্যান্য বছরের মতো এবছরও পর্যটন মৌসুমে যাতে দেশি-বিদেশি পর্যটক ও শিক্ষার্থীরা নিরাপদে দ্বীপে ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলাসহ সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।