আজ বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

সদ্য প্রাপ্তঃ

*** সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় * সৌদি দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় ১০ অক্টোবর * বন্যায় টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়কে ধস; উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেলযোগাযোগ বন্ধ * রাজারবাগে এক নারী কনস্টেবলকে ধর্ষণের অভিযোগে তার এক সহকর্মী গ্রেপ্তার * কোটালীপাড়ায় হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ফায়ারিং স্কোয়াডে ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়

Bangladesh Manobadhikar Foundation

Khan Air Travels

বিডিনিউজডেস্ক ডেস্ক | তারিখঃ ০৯.০৯.২০১৭

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন ও গণহত্যা বন্ধ না করলে ঢাকায় অবস্থিত মিয়ানমার

দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। শনিবার বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব জুনাইদ বাবুনগরী।

রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না জানিয়ে তিনি বলেন, এ গণহত্যা বন্ধ না করলে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও করা হবে। ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ ও ওআইসি মহাসচিবের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হবে। এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ ও গণমিছিলের আয়োজন করা হবে। জুনাইদ বাবুনগরী আরো বলেন, এ গণহত্যা বন্ধ না হলে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা আহমদ শফির নেতৃত্বে আরাকানমুখী (রাখাইন রাজ্য) লংমার্চ করা হবে।

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণহত্যা বন্ধ করতে মিয়ানমারের ওপর কঠোর কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে। প্রয়োজনে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণারও দাবি জানান জুনাইদ বাবুনগরী। উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট রাতে রোহিঙ্গারা রাখাইনের মং তাও এলাকার বিভিন্ন গ্রামে ২৪টি পুলিশ স্টেশনে হামলা চালায়। তারা সেনা ঘাঁটি ও সীমান্ত চৌকিতেও হামলা চালায়। রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের এ হামলার পর নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের গ্রাম জ্বালাও-পোড়াও, হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমার সেনার বিরুদ্ধে।

সেনা অভিযানে নারী ও শিশুসহ অসংখ্য রোহিঙ্গা নিহত হয়। জীবন বাঁচাতে গ্রাম ছেড়ে বাংলাদেশ সীমান্তে শরণার্থীদের ঢল নামে। ইতিমধ্যে দুই লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ।